র‍্যাট-হোলমাইনিং-এরস্থায়িত্ব: আর্থ-সামাজিকএবংপরিবেশগতচ্যালেঞ্জ

Persistence of Rat-Hole Mining: Socio-Legal and Environmental Challenges

এই প্রতিবেদনটি পড়ার পর আপনি নিচের ইউপিএসসি (UPSC) মেইনস মডেল প্রশ্নটির উত্তর দিতে পারবেন: 

আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও মেঘালয়ে র‍্যাট-হোল মাইনিং অব্যাহত রয়েছে, যা বারবার মানবসম্পদ ও পরিবেশের বিপর্যয় ঘটাচ্ছে। এই অবৈধ পদ্ধতিটি টিকে থাকার কারণগুলি বিশ্লেষণ করুন এবং এটি নির্মূল করার উপায়গুলো পরামর্শ দিন। (২৫০ শব্দ, GS 3, পরিবেশ ও বাস্তুসংস্থান)

প্রেক্ষাপট

সম্প্রতি মেঘালয়ের একটি অবৈধ র‍্যাটহোল খনিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণে ১৮ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এই মর্মান্তিক ঘটনাটি খনি খননের এই গোপন কর্মকাণ্ড রুখতে প্রশাসনিক পদ্ধতিগত ব্যর্থতার একটি কঠোর সংকেত। গত এক দশক ধরে বিচারবিভাগীয় নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও, এই মৃত্যু ফাঁদ-গুলোর টিকে থাকা আসলে আদিবাসীদের জমির অধিকার, অর্থনৈতিক অসহায়তা এবং নিয়ন্ত্রণমূলক স্থবিরতার এক জটিল সংমিশ্রণ।

্যাটহোল মাইনিং সম্পর্কে

মূল ধারণা : র‍্যাট-হোল মাইনিং হলো একটি আদিম, বিপজ্জনক এবং শ্রমনির্ভর কয়লা উত্তোলন পদ্ধতি। এতে মাটির নিচে অত্যন্ত সরু সুড়ঙ্গ খনন করা হয়—যা সাধারণত ৩ থেকে ৪ ফুট উঁচু এবং ২ থেকে ৩ ফুট চওড়া হয়—যা দেখতে অনেকটা ইঁদুরের গর্তের মতো।

  • এই সংকীর্ণ আয়তনের কারণে শ্রমিকদের (যাদের মধ্যে অনেক সময় শিশুরাও থাকে) কয়লা তোলার জন্য সুড়ঙ্গের ভেতরে হামাগুড়ি দিয়ে ঢুকতে হয় এবং সাধারণ হাত-সরঞ্জাম ব্যবহার করে কয়লা বের করে আনতে হয়।
  • কোথায় প্রচলিত: এই পদ্ধতিটি মূলত ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে, বিশেষ করে মেঘালয় এবং অসম রাজ্যে দেখা যায়, যেখানে কয়লার স্তরগুলো খুব পাতলা এবং মাটির নিচে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকে।
  • কয়লা উত্তোলনের কৌশল : খনি থেকে কয়লা উত্তোলনের জন্য সাধারণত দুটি উপায় অবলম্বন করা হয়:

১. সাইডকাটিং পদ্ধতি: এটি মূলত পাহাড়ি এলাকায় ব্যবহৃত হয়। শ্রমিকরা পাহাড়ের ঢাল বরাবর সরাসরি অনুভূমিক সুড়ঙ্গ খুঁড়ে কয়লার পাতলা স্তরে পৌঁছানোর চেষ্টা করে। এই কয়লার স্তরগুলো সাধারণত ২ মিটারের কম পুরু হয়।

২. বক্সকাটিং পদ্ধতি: এই পদ্ধতিতে প্রথমে ১০ থেকে ১০০ বর্গমিটার এলাকা জুড়ে একটি বিশাল আয়তাকার গর্ত খুঁড়ে ১০০ থেকে ৪০০ ফুট গভীর পর্যন্ত যাওয়া হয়। একবার কয়লার স্তরটি উন্মুক্ত হয়ে গেলে, সেই গভীর গর্তের দেওয়াল থেকে চারদিকে ইঁদুরের গর্তের মতো ছোট ছোট অনুভূমিক সুড়ঙ্গ তৈরি করে কয়লা উত্তোলন করা হয়।

্যাটহোল মাইনিং পদ্ধতি অব্যাহত থাকার মূল কারণসমূহ

  • দারিদ্র্য এবং জীবিকার অনিশ্চয়তা: কর্মসংস্থানের সীমিত সুযোগ স্থানীয় আদিবাসী জনগোষ্ঠীকে বেঁচে থাকার তাগিদে এই বিপজ্জনক খনি খনন পদ্ধতির ওপর নির্ভর করতে বাধ্য করে।
    • মারাত্মক স্বাস্থ্য এবং নিরাপত্তা ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও, কয়লা বিক্রি থেকে দ্রুত এবং নিশ্চিত নগদ আয়ের আশায় দুর্বল ও দরিদ্র পরিবারগুলোর কাছে এই কাজ অর্থনৈতিকভাবে আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে।
  • জমির মালিকানা এবং তদারকির অভাব: জমির মালিকানার অস্পষ্টতা এবং দুর্বল আইন প্রয়োগ ব্যবস্থার কারণে এই অবৈধ খনি খনন পদ্ধতি ফুলে-ফেঁপে উঠছে।
    • প্রশাসনের এই ফাঁকফোকরগুলোকে কাজে লাগিয়ে কোনো প্রকার দায়বদ্ধতা ছাড়াই এই কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
    • কিছু ক্ষেত্রে, রাজনৈতিক স্বার্থ এবং কয়লা খনির মালিকানার মধ্যে যোগসাজশ থাকার কারণে ‘ন্যাশনাল গ্রিন ট্রাইব্যুনাল’ (NGT)-এর নিষেধাজ্ঞা কঠোরভাবে কার্যকর করা সম্ভব হয় না।
  • কয়লার ক্রমাগত চাহিদা: আনুষ্ঠানিক এবং অনানুষ্ঠানিক—উভয় বাজারেই কয়লার ব্যাপক চাহিদা থাকায় এই অবৈধ ব্যবসাটি অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক থাকে।
    • মধ্যস্বত্বভোগী এবং অবৈধ ব্যবসায়ীদের সক্রিয় উপস্থিতি এই গোপন সরবরাহ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করে, যা অবৈধভাবে তোলা কয়লার একটি স্থায়ী বাজার নিশ্চিত করে।
  • ভৌগোলিক উপযোগিতা এবং কম খরচ: উত্তর-পূর্ব ভারতের কয়লার স্তরগুলো সাধারণত খুব পাতলা (২ মিটারের কম) হয়। ফলে ক্ষুদ্র মালিকদের পক্ষে বড় আকারের যান্ত্রিক খনি চালানো লাভজনক হয় না। অন্যদিকে, এই আদিম ও শ্রমনির্ভর পদ্ধতিতে সামান্য পুঁজিতেই কাজ শুরু করা যায়, যা স্থানীয় ঠিকাদারদের জন্য এই ব্যবসায় নামা সহজ করে তোলে।

র‍্যাটহোল মাইনিংএর সাথে জড়িত গুরুতর চ্যালেঞ্জসমূহ

অবৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে কয়লা উত্তোলন মানব নিরাপত্তা, পরিবেশগত ভারসাম্য এবং সামাজিক নৈতিকতার ক্ষেত্রে এক বহুমুখী সংকট তৈরি করে।

১. পেশাগত নিরাপত্তার চরম ঝুঁকি: কোনো প্রকার মজবুত কাঠামো বা সুরক্ষা ব্যবস্থা না থাকায়, এই সরু সুড়ঙ্গগুলো ধসে পড়ার বা আকস্মিক বন্যায় তলিয়ে যাওয়ার প্রবল ঝুঁকি থাকে। এতে খনির গভীরে শ্রমিকদের আটকে পড়ার সম্ভাবনা থাকে। পর্যাপ্ত বায়ু চলাচলের অভাব (Poor ventilation) অনেক সময় দমবন্ধ হয়ে মৃত্যু এবং খনির ভেতরে বিস্ফোরক গ্যাস জমার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

উদাহরণ: ২০১৮ সালের ক্ষান (Ksan) বন্যা (১৭ জনের মৃত্যু) এবং ২০২৪ সালের ওখা (Wokha) বিস্ফোরণ (৬ জনের মৃত্যু) এই ঝুঁকির ভয়াবহ প্রমাণ।

২. পরিবেশগত অবক্ষয় এবং বিষক্রিয়া: এই খনিগুলোর কারণে ব্যাপক হারে বন উজাড় এবং মাটি ক্ষয় হচ্ছে। সবচেয়ে মারাত্মক প্রভাব হলো অ্যাসিড মাইন ড্রেনেজ (AMD); যেখানে সালফারযুক্ত বর্জ্য জল মিশে জলাশয়গুলোকে দূষিত করে। এর ফলে মেঘালয়ের লুখা (Lukha) নদীর মতো নদীগুলো আম্লিক বা অ্যাসিডিক হয়ে পড়ছে এবং জলজ জীববৈচিত্র্য ধ্বংস হচ্ছে।

  • প্রভাব: নাগাল্যান্ডের ওখা এবং মন জেলার উর্বর কৃষিজমিগুলো মারাত্মক দূষণ ও উর্বরতা হ্রাসের শিকার হয়েছে।

৩. পদ্ধতিগত সামাজিক শোষণ: এই শিল্পে শিশুদের ব্যবহার ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, কারণ তাদের ছোট আকার সংকীর্ণ সুড়ঙ্গে চলাচলের জন্য সুবিধাজনক। ‘ইমপালস’ (Impulse) নামক এনজিও-র রিপোর্ট অনুযায়ী, প্রায় ৭০,০০০ শিশু (যাদের বড় অংশ বাংলাদেশ ও নেপাল থেকে আসা) এই কাজে নিয়োজিত। এটি স্থানীয় সম্প্রদায়ের উচ্ছেদ এবং বিপজ্জনক কর্মপরিবেশের একটি করুণ চিত্র তুলে ধরে।

র‍্যাটহোল মাইনিং নিয়ন্ত্রণের আইনি প্রশাসনিক কাঠামো

ভারতে এই নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাটি আদালতের নিষেধাজ্ঞা, কেন্দ্রীয় আইন এবং উত্তর-পূর্বের বিশেষ সাংবিধানিক সুরক্ষার এক জটিল মিশ্রণ।

. ভারতে নিয়ন্ত্রণের বর্তমান অবস্থা

  • আইনি অবস্থান: এটি একটি অবৈধ কার্যক্রম। আইন প্রয়োগের দায়িত্ব রাজ্য ও জেলা প্রশাসনের, যারা একে একটি বড় ‘আইন-শৃঙ্খলা চ্যালেঞ্জ’ হিসেবে দেখে।
  • NGT নিষেধাজ্ঞা (২০১৪): অবৈজ্ঞানিক পদ্ধতি এবং শ্রমিকদের উচ্চ মৃত্যুর হারের কারণে ন্যাশনাল গ্রিন ট্রাইব্যুনাল এর ওপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।
  • সুপ্রিম কোর্টের রায় (২০১৯): এনজিটি-র নিষেধাজ্ঞা বহাল রেখে আদালত জানায়, MMDR Act, 1957 অনুযায়ী বৈজ্ঞানিক পরিকল্পনা ও পরিবেশগত ছাড়পত্র ছাড়া এই খনি চালানো নিষিদ্ধ।
  • বি.পি. কাটাকি কমিটি (২০২২): মেঘালয় হাইকোর্ট দ্বারা গঠিত এই কমিটি জানায়, বিশেষ করে পূর্ব জৈন্তিয়া পাহাড়ে ব্যাপক অবৈধ খনন চলছে। আদালত একে প্রশাসনের “চরম উদাসীনতা ও জবাবদিহিতার অভাব” বলে উল্লেখ করেন।

. রাজ্যভিত্তিক সাংবিধানিক বিশেষ বিধান

  • নাগাল্যান্ড কয়লা নীতি (২০০৬): ব্যক্তিগত মালিকদের SPDL (স্মল পকেট ডিপোজিট লাইসেন্স) প্রদানের মাধ্যমে ক্ষুদ্র খনিগুলোকে নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা।
  • MEPRF তহবিল: কয়লার ওপর ১০% রয়্যালটি নিয়ে গঠিত এই তহবিল খনি-ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার পরিবেশ পুনরুদ্ধারে ব্যবহৃত হয়।
  • অনুচ্ছেদ ৩৭১ (নাগাল্যান্ড): জমি ও সম্পদের ওপর রাজ্যের বিশেষ স্বায়ত্তশাসন কেন্দ্রীয় খনি আইন প্রয়োগে আইনি জটিলতা তৈরি করে।
  • ষষ্ঠ তফসিল (মেঘালয়, মিজোরাম, ত্রিপুরা, অসম): স্বায়ত্তশাসিত জেলা পরিষদ (ADC)-এর হাতে জমির মালিকানা থাকায় কেন্দ্রীয় তদারকি বাধাগ্রস্ত হয়। MMDR Act এবং ADC আইনের বিরোধের সুযোগ নেয় অবৈধ ব্যবসায়ীরা।

. আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট

  • বৈশ্বিক মানদণ্ড: সরাসরি কোনো আইন না থাকলেও আন্তর্জাতিক প্রোটোকলগুলো টেকসই খনন ও শ্রমিক নিরাপত্তার ওপর জোর দেয়।
  • পরোক্ষ প্রভাব: আন্তর্জাতিক শ্রম ও পরিবেশগত মানদণ্ডের চাপে দেশগুলো আদিম পদ্ধতি ছেড়ে বৈজ্ঞানিক উত্তোলনের দিকে অগ্রসর হতে বাধ্য হচ্ছে।

ভবিষ্যতের পথনির্দেশ: অবৈধ ্যাটহোল মাইনিং নির্মূল করার কৌশলগত রোডম্যাপ

অবৈধ র‌্যাট-হোল মাইনিং-এর এই সংকট নিরসনের জন্য একটি বহুমুখী পদ্ধতির প্রয়োজন, যেখানে কঠোর আইন প্রয়োগ, উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার এবং গ্রিন স্টিল‘ (Green Steel) অর্থনীতির দিকে উত্তরণের সমন্বয় থাকবে।

১. প্রযুক্তিগত নজরদারি: দুর্গম অঞ্চলে অবৈধ খনন রুখতে স্যাটেলাইট রিমোট সেন্সিংড্রোন ব্যবহার করা এবং কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারি নিশ্চিত করা।

২. গ্রিন স্টিল উৎপাদন: কোকিং কয়লার বিকল্প হিসেবে গ্রিন হাইড্রোজেনভিত্তিক প্রযুক্তি (DRI) ব্যবহারে শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে উৎসাহিত করা, যাতে কয়লার চাহিদা হ্রাস পায় এবং অবৈধ মাইনিং-এর প্রয়োজনীয়তা কমে।

৩. সরবরাহ শৃঙ্খল তদারকি: কয়লাবাহী যানবাহনে জিপিএস (GPS) ও ডিজিটাল ট্রানজিট পাস বাধ্যতামূলক করা এবং শিল্পাঞ্চলে সিসিটিভি চেকপোস্টের মাধ্যমে কয়লার উৎস যাচাই করা।

৪. বিকল্প জীবিকা সংস্থান: খনি-নির্ভরতা কমাতে স্থানীয়দের জন্য উদ্যানপালন, পরিবেশপর্যটন ও ক্ষুদ্র শিল্পে ঋণের সুবিধা এবং বাজারজাতকরণের সুযোগ তৈরি করা।

৫. সামাজিক ক্ষমতায়ন: গ্রাম পরিষদ ও জেলা পরিষদকে নজরদারিতে সম্পৃক্ত করা এবং সংগৃহীত জরিমানার একটি অংশ তাদের প্রদানের মাধ্যমে পরিবেশ রক্ষায় স্থানীয় মালিকানা বৃদ্ধি করা।

৬. শ্রমিক পুনর্বাসন: খনি শ্রমিকদের ডাটাবেস তৈরি করে তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি করা এবং পরিত্যক্ত খনির বাস্তুসংস্থান পুনরুদ্ধার বা পরিবেশবান্ধব শক্তি প্রকল্পে কর্মসংস্থানের সুযোগ দেওয়া।

৭. বৈজ্ঞানিক খনন পদ্ধতি: অবৈধ পদ্ধতির পরিবর্তে কেবল পরিবেশগত প্রভাব মূল্যায়ন (EIA) এবং অ্যাসিড মাইন ড্রেনেজ (AMD) শোধন ব্যবতাসম্পন্ন বৈজ্ঞানিক খনি খননকেই অনুমোদন দেওয়া।

উপসংহার

মেঘালয়ে খনি দুর্ঘটনার “ভয়াবহ পুনরাবৃত্তি” প্রমাণ করে যে, কেবল নিষেধাজ্ঞা আরোপ করাই যথেষ্ট নয়, এটি একটি হাতিয়ার মাত্র, সমাধান নয়। প্রকৃত পরিবর্তনের জন্য প্রয়োজন একটি দ্বিমুখী পদ্ধতি: একদিকে কয়লা মাফিয়াদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা, এবং অন্যদিকে শ্রমিকদের জন্য সহমর্মিতামূলক পুনর্বাসন। মেঘালয়ের খনিজ অর্থনীতিকে ভারতের গ্রিন স্টিল লক্ষ্যমাত্রার সাথে যুক্ত করা কেবল পরিবেশগত প্রয়োজনই নয়, বরং একটি নৈতিক দায়িত্বও বটে; যাতে অন্ধকার, সরু গর্তে মানুষের জীবনের বিনিময়ে তথাকথিত “উন্নয়ন” না আসে।