এই নিবন্ধটি পড়ার পর আপনি UPSC Mains-এর এই মডেল প্রশ্নটির উত্তর দিতে পারবেন:
একবিংশ শতাব্দীতে জালানি নিরাপত্তা শুধুমাত্র তেল প্রাপ্তির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এর মধ্যে স্থিতিস্থাপকতা, বৈচিত্র্যকরণ এবং সরবরাহ শৃঙ্খলের নিরাপত্তা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ভারতের পরিবর্তনশীল ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এটি আলোচনা করুন। ১৫ নম্বর (GS-3, অর্থনীতি)
প্রেক্ষাপট
পশ্চিম এশিয়ার সাম্প্রতিক সংঘাত এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এটি স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, ভূ-রাজনৈতিক সংকট কীভাবে সরাসরি ভারতের অর্থনীতিকে, বিশেষ করে জালানির দাম এবং সরবরাহ শৃঙ্খলকে (Supply Chains) প্রভাবিত করে। ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা এখন আর কেবল সস্তায় আমদানির বিষয় নয়; এটি এখন স্থিতিস্থাপকতা, উৎস বৈচিত্র্যকরণ এবং কৌশলগত প্রস্তুতির ওপর নির্ভরশীল।
জালানি নিরাপত্তার বিবর্তনশীল ধারণা
- “সস্তা জ্বালানি” থেকে “মজবুত সুরক্ষা” (Strong Buffers): জালানি নিরাপত্তা এখন আর কেবল সর্বনিম্ন দাম খোঁজার বিষয় নয়, বরং এমন একটি ব্যবস্থা গড়ে তোলা যা আকস্মিক বৈশ্বিক ধাক্কা সামলে টিকে থাকতে পারে। দেশগুলো এখন সাধারণ বাজার দক্ষতার চেয়ে আর্থিক নিরাপত্তাকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। এর জন্য তারা “বিমা” হিসেবে অতিরিক্ত জালানি সঞ্চয় এবং বাড়তি সরবরাহ ক্ষমতা রাখার জন্য বেশি খরচ করতেও প্রস্তুত।
- উৎস বৈচিত্র্যকরণ এবং “পছন্দ করার ক্ষমতা” (Power of Choice): প্রকৃত নিরাপত্তা এখন নির্ভর করে একগুচ্ছ বৈচিত্র্যময় সরবরাহকারীর ওপর। এটি কোনো একটি অঞ্চল অস্থির হয়ে পড়লে দ্রুত অন্য উৎসে ফিরে যাওয়ার সুযোগ দেয়। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সাথে সুসম্পর্ক বজায় রেখেও রুশ তেল আমদানির ভারসাম্য রক্ষা করা ভারতের এই “কৌশলগত নমনীয়তা” বা পছন্দের ক্ষমতার একটি বড় উদাহরণ।
- সামুদ্রিক পথের ঝুঁকি (Fragility of Sea Lanes): অনেক সরবরাহকারী থাকলেও তেলের ভৌত পরিবহন একটি বড় ঝুঁকি হিসেবে রয়ে গেছে কারণ এটি প্রায়ই “হরমুজ প্রণালী”র (Strait of Hormuz) মতো সংকীর্ণ পথ দিয়ে আসে। বিশ্বের ২৫% তেল এই ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা দিয়ে যাতায়াত করে, তাই এখন জ্বালানি আমদানির মতোই নৌ-শক্তির মাধ্যমে সমুদ্রপথ রক্ষা করা সমান গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
- নতুন “সবুজ” জ্বালানির দুর্বলতা (Green Vulnerabilities): নবায়নযোগ্য শক্তির দিকে অগ্রসর হওয়া তেলের ওপর নির্ভরতা কমায় ঠিকই, কিন্তু এটি লিথিয়াম এবং রেয়ার আর্থ (Rare Earths) খনিজের ওপর নতুন নির্ভরতা তৈরি করে। এটি একটি নতুন চ্যালেঞ্জ, কারণ এই গুরুত্বপূর্ণ খনিজগুলোর প্রক্রিয়াকরণ বর্তমানে একটি মাত্র দেশের (চীন) নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, যা ভবিষ্যতে একটি নতুন সংকটের পথ তৈরি করতে পারে।
- অর্থনীতির ঢাল হিসেবে জ্বালানি: স্থিতিশীল জ্বালানি সরবরাহ এখন অভ্যন্তরীণ অর্থনীতির ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হয়, যা সরাসরি মুদ্রাস্ফীতি এবং উন্নয়নকে প্রভাবিত করে। সরবরাহ শৃঙ্খল সুরক্ষিত করার মাধ্যমে একটি দেশ তার নাগরিকদের “আমদানিকৃত” অর্থনৈতিক সংকট থেকে রক্ষা করে এবং নিশ্চিত করে যে বৈশ্বিক অস্থিরতা যেন দেশের সমৃদ্ধিকে বাধাগ্রস্ত না করে।
বিশ্ব জ্বালানি বাজার: পুরনো ব্যবস্থার পতন
- পাইপলাইন থেকে সমুদ্রপথের দিকে: রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ পাইপলাইনের নির্ভরযোগ্যতার ধারণা ভেঙে দিয়েছে এবং বিশ্বকে সমুদ্রপথে পরিবহণযোগ্য LNG-র দিকে ঠেলে দিয়েছে। এই পরিবর্তন হরমুজ প্রণালীর মতো সামুদ্রিক পথগুলোর কৌশলগত গুরুত্ব বাড়িয়ে দিয়েছে, যেখানে স্থানীয় সংঘাত এখন বিশ্বব্যাপী তেলের দাম নির্ধারণ করে।
- সঞ্চয়ের চেয়ে নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার: কম খরচে “প্রয়োজন মতো” জ্বালানি কেনার পুরনো মডেল এখন শেষ। এর জায়গা নিয়েছে “নিরাপত্তা-প্রথম” কৌশল। জাপান এবং দক্ষিণ কোরিয়ার মতো দেশগুলো এখন জ্বালানিকে একটি বিমা পলিসি হিসেবে দেখছে এবং সরবরাহ সংকট মোকাবিলায় বিশাল কৌশলগত মজুদ (Strategic Reserves) গড়ে তোলার জন্য প্রচুর বিনিয়োগ করছে।
- পছন্দের ক্ষমতা এবং ক্রেতার আধিপত্য: একটি মাত্র সরবরাহকারীর ওপর দশকের পর দশক ধরে নির্ভরশীল থাকার দিন শেষ। ভারতের মতো বড় আমদানিকারকরা এখন রাশিয়া, আমেরিকা এবং উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে তাদের উৎসকে বৈচিত্র্যময় করছে। এই “অপশনালিটি” বা বিকল্প বেছে নেওয়ার ক্ষমতা ক্রেতাদের হাতে শক্তি দিচ্ছে, যাতে তারা ভৌগোলিক অবস্থানের বদলে ভূ-রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার ভিত্তিতে সরবরাহকারী পরিবর্তন করতে পারে।
- রাশিয়ান গ্যাসের ওপর ইউরোপের নির্ভরতার অবসান: সস্তা রুশ গ্যাসের ওপর ইউরোপের নির্ভরতার যুগ (যা একসময় তাদের চাহিদার ৪৫% মেটাতো) স্থায়ীভাবে শেষ হয়ে গেছে। এই পতনের ফলে ইউরোপীয় জ্বালানি ব্যবস্থায় দ্রুত আমূল পরিবর্তন আনতে হয়েছে, যার ফলে গ্যাসের ব্যবহার ২০% কমেছে এবং তারা পুরোপুরি বৈশ্বিক LNG বাজারের দিকে ঝুঁকেছে।
- সবুজ রূপান্তরের নতুন ঝুঁকি: জালানি বাজারের এই পরিবর্তন এমন এক সময়ে ঘটছে যখন লিথিয়াম এবং রেয়ার আর্থের মতো খনিজের ওপর নতুন করে নির্ভরতা তৈরি হচ্ছে। বৈশ্বিক ঝুঁকি এখন “মাটি থেকে জ্বালানি তোলা” থেকে সরে গিয়ে “খনিজ প্রক্রিয়াকরণ নিয়ন্ত্রণ করার” দিকে যাচ্ছে। এটি সেইসব দেশগুলোর ওপর নতুন ভূ-রাজনৈতিক নির্ভরতা তৈরি করছে যারা ব্যাটারি সরবরাহ শৃঙ্খলে আধিপত্য বিস্তার করে।
ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তায় সরকারি উদ্যোগ
১. কৌশলগত এবং সামুদ্রিক নিরাপত্তা
- অপারেশন সংকল্প (Operation Sankalp): হরমুজ প্রণালী এবং পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে ভারতীয় পতাকাবাহী জাহাজগুলোর নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে ভারতীয় নৌবাহিনী এই অভিযান শুরু করেছে।
- কৌশলগত পেট্রোলিয়াম রিজার্ভ (SPR) কর্মসূচি: সরবরাহ শৃঙ্খলে কোনো বিপর্যয় ঘটলে “জাতীয় বিমা” হিসেবে কাজ করার জন্য ভারত বিশাল ভূগর্ভস্থ তেল মজুদাগার তৈরি করছে। আমদানিনির্ভরতা কমাতে এবং জরুরি অবস্থায় টিকে থাকার দিন সংখ্যা বাড়াতে বিশাখাপত্তনম, ম্যাঙ্গালুরু এবং পাদুরে বর্তমান মজুদ ক্ষমতা আরও বৃদ্ধি করা হচ্ছে।
২. জ্বালানি উৎসের বৈচিত্র্যকরণ
- ন্যাশনাল গ্রিন হাইড্রোজেন মিশন (NGHM): ১৯,৭৪৪ কোটি টাকা ব্যয়ে এই মিশনের লক্ষ্য ভারতকে গ্রিন হাইড্রোজেনের বিশ্বব্যাপী হাবে পরিণত করা। ২০৩০ সালের মধ্যে প্রতি বছর ৫ MMT উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা জীবাশ্ম জ্বালানি আমদানিতে ১ লক্ষ কোটি টাকারও বেশি সাশ্রয় করতে পারে।
- প্রধানমন্ত্রী জি-ভান যোজনা (PM JI-VAN): দ্বিতীয় প্রজন্মের (2G) বায়ো-ইথানল তৈরির পরিবেশ তৈরি করাই এর লক্ষ্য। কৃষিজ বর্জ্য (যেমন খড়) জ্বালানিতে রূপান্তরের মাধ্যমে এটি ইথানল ব্লেন্ডিং প্রোগ্রাম (EBP)-কে সহায়তা করে এবং আমদানিকৃত তেলের ওপর নির্ভরতা কমায়।
- পিএম-কুসুম (PM-KUSUM) এবং পিএম সূর্য ঘর: এই প্রকল্পগুলো কৃষি এবং গৃহস্থালি পর্যায়ে সৌরশক্তির ব্যবহার বাড়াতে কাজ করে, যাতে জাতীয় গ্রিডের ওপর চাপ কমে এবং সরকারি ভর্তুকির খরচ হ্রাস পায়।
৩. ভবিষ্যতের প্রযুক্তি সুরক্ষিত করা
- ন্যাশনাল ক্রিটিক্যাল মিনারেল মিশন (NCMM): ২০২৫ সালে শুরু হওয়া এই মিশনটি ইলেকট্রিক ভেহিকেল (EV) এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর প্রধান দিকগুলো হলো:
- দেশীয় অনুসন্ধান: লিথিয়াম এবং কোবাল্টের মতো খনিজের জন্য ১,২০০টিরও বেশি স্থানকে লক্ষ্য করা হয়েছে।
- বিদেশি সম্পদ অর্জন: KABIL (খনিজ বিদেশ ইন্ডিয়া লিমিটেড)-এর মাধ্যমে ভারত দক্ষিণ আমেরিকার “লিথিয়াম ট্রায়াঙ্গেল” এবং অস্ট্রেলিয়ায় খনিজ সম্পদ আহরণ নিশ্চিত করছে।
- পুনর্ব্যবহার প্রণোদনা: ই-বর্জ্য এবং পুরনো ব্যাটারি থেকে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ পুনরুদ্ধারের জন্য ১,৫০০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে।
৪. ভূ-রাজনীতি এবং কূটনীতি
- ইন্টারন্যাশনাল সোলার অ্যালায়েন্স (ISA): ভারতের নেতৃত্বে একটি বিশ্বব্যাপী প্ল্যাটফর্ম, যা বিশেষ করে রৌদ্রোজ্জ্বল দেশগুলোতে সৌরশক্তির বিস্তার ঘটায় এবং জীবাশ্ম জ্বালানি সমৃদ্ধ দেশগুলোর ওপর নির্ভরতা কমায়।
- গ্লোবাল বায়োফুয়েলস অ্যালায়েন্স (GBA): বায়োফুয়েলের ব্যবহার ত্বরান্বিত করতে ভারতের জি-২০ প্রেসিডেন্সির সময় এটি চালু করা হয়েছিল, যা জ্বালানি বাজারে স্থিতিশীলতা এবং বৈচিত্র্য আনবে।
ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তার চ্যালেঞ্জসমূহ
- অত্যধিক আমদানি নির্ভরতা: ভারত কাঠামোগতভাবে এখনও দুর্বল, কারণ আমাদের অপরিশোধিত তেলের চাহিদার প্রায় ৯০% আমদানি করতে হয়। এটি বৈশ্বিক অশান্তির সাথে সরাসরি ভারতের মুদ্রাস্ফীতি এবং জিডিপি প্রবৃদ্ধিকে যুক্ত করে।
- ভৌগোলিক এবং সামুদ্রিক বাধা: সরবরাহকারী পরিবর্তন করলেও “চোকপয়েন্ট” বা সংকীর্ণ সামুদ্রিক পথের সমস্যা মেটে না। ভারতের আমদানির প্রায় ৪৫% এখনও হরমুজ প্রণালী দিয়ে আসে। এই পথে উত্তেজনার কারণে ‘অপারেশন সংকল্প’-এর মতো ব্যয়বহুল সামরিক হস্তক্ষেপ প্রয়োজন হয়।
- প্রক্রিয়াকরণের একচেটিয়া আধিপত্য: সবুজ জ্বালানির দিকে এগিয়ে যাওয়ার অর্থ হলো লিথিয়াম এবং কোবাল্টের মতো খনিজের ওপর নতুন নির্ভরতা। বর্তমানে চীন এই খনিজগুলোর ৯০%-এর বেশি উৎপাদন নিয়ন্ত্রণ করে। ভারত তার প্রয়োজনীয় ব্যাটারি-গ্রেড খনিজের মাত্র ৫% প্রক্রিয়াকরণ করতে পারে, যা তেল-নির্ভরতা থেকে সরে এসে খনিজ-নির্ভরতার ঝুঁকি তৈরি করে।
- কৌশলগত মজুদের অপর্যাপ্ততা: জাপানের মতো দেশগুলোর (২৫৪ দিনের মজুদ) তুলনায় ভারতের কৌশলগত পেট্রোলিয়াম রিজার্ভ (SPR) এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে। বর্তমান মজুদ ক্ষমতা দীর্ঘস্থায়ী বৈশ্বিক সরবরাহ সংকট মোকাবিলা করার জন্য যথেষ্ট নয়।
- জ্বালানি রূপান্তরের দ্বিধা (Paradox): সৌরশক্তি এবং ইভি-র ব্যবহার দীর্ঘমেয়াদে তেলের চাহিদা কমালেও, স্বল্পমেয়াদে নতুন পরিকাঠামো তৈরির খরচ অনেক বেশি। খনিজ সরবরাহ নিশ্চিত না করে দ্রুত রূপান্তর ঘটলে উপকারের বদলে জ্বালানি বাজার আরও অস্থিতিশীল হয়ে উঠতে পারে।
ভবিষ্যতের পথ
- কৌশলগত মজুদের (SPR) বিস্তার: জাপানের মতো স্থিতিস্থাপকতা অর্জন করতে ভারতকে দ্রুত ভূগর্ভস্থ তেলের মজুদ ক্ষমতা বাড়াতে হবে। এটি সরবরাহ সংকটের সময় সুরক্ষা কবচ হিসেবে কাজ করবে।
- খনিজ সরবরাহ শৃঙ্খল নিশ্চিত করা: চীনের ওপর নির্ভরতা এড়াতে ভারতকে KABIL-এর মাধ্যমে “খনিজ কূটনীতি” জোরদার করতে হবে। দেশের অভ্যন্তরেও খনিজ প্রক্রিয়াকরণ কারখানা গড়ে তোলা জরুরি।
- সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা ও কূটনীতি শক্তিশালী করা: হরমুজ প্রণালীর মতো গুরুত্বপূর্ণ পথগুলো রক্ষা করতে ভারতীয় নৌবাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হবে। ‘অপারেশন সংকল্প’-এর মতো উদ্যোগগুলোকে আঞ্চলিক অংশীদারদের সাথে একটি বৃহত্তর কাঠামোর অধীনে আনতে হবে।
- কার্বন নিঃসরণ হ্রাস এবং চাহিদা ব্যবস্থাপনা: ইভি-র জন্য FAME-II প্রকল্প দ্রুত কার্যকর করে তেলের তীব্রতা কমাতে হবে। গ্রিন হাইড্রোজেন এবং বায়োফুয়েল উৎসাহিত করলে শিল্পখাত তেলের দামের ওঠানামা থেকে মুক্তি পাবে।
- বাজারের শক্তি ব্যবহার করা: ভারত তেলের চাহিদার একটি বড় কেন্দ্র হওয়ায়, আমদানির ক্ষেত্রে আরও ভালো শর্ত ও ডিসকাউন্ট নিশ্চিত করতে দরকষাকষির ক্ষমতা ব্যবহার করতে হবে।
উপসংহার
ভারতকে সাময়িক কৌশলগত পদক্ষেপের বদলে কাঠামোগত স্থিতিস্থাপকতার দিকে এগোতে হবে। খনিজ সরবরাহ শৃঙ্খল সুরক্ষিত করে এবং কৌশলগত মজুদ বাড়িয়ে ভারত তার অর্থনীতিকে ভূ-রাজনৈতিক ধাক্কা থেকে মুক্ত করতে পারবে। এটি একটি টেকসই এবং স্বনির্ভর জ্বালানি ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করবে।