এই নিবন্ধটি পড়ার পর আপনি UPSC-র এই প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবেন:
With growing energy needs should India keep on expanding its nuclear energy programme? Discuss the facts and fears associated with nuclear energy. (২০১৮, GS-3 বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, ১৫ নম্বর)
প্রেক্ষিত:
ভারত বর্তমানে তার পারমাণবিক শক্তি নীতিতে একটি আমূল পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এটি রাষ্ট্রের একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ থেকে বেরিয়ে এখন “বাণিজ্যিক অংশগ্রহণ” মডেলে স্থানান্তরিত হচ্ছে। ভারতের লক্ষ্য হলো ২০৪৭ সালের মধ্যে পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ৮.৮ গিগাওয়াট (GW) থেকে বাড়িয়ে ১০০ গিগাওয়াটে নিয়ে যাওয়া, যা ‘বিকশিত ভারত‘ এবং ২০৭০ সালের মধ্যে ‘নেট-জিরো‘ (কার্বন নিঃসরণ শূন্য করা) লক্ষ্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
ভারতের জন্য পারমাণবিক শক্তি কেন গুরুত্বপূর্ণ?
১. নির্ভরযোগ্য বেসলোড পাওয়ার:
সৌর বা বায়ু শক্তির মতো উৎসগুলো সব সময় বিদ্যুৎ দিতে পারে না, কিন্তু পারমাণবিক শক্তি দিনে ২৪ ঘণ্টা টানা বিদ্যুৎ সরবরাহ করে। ২০২৪ সালে নবায়নযোগ্য শক্তি মোট উৎপাদন ক্ষমতার ৫০% হলেও, প্রকৃত উৎপাদনের মাত্র ২২% ছিল। পারমাণবিক শক্তি কোনও বড় ব্যাটারি স্টোরেজ খরচ ছাড়াই গ্রিডের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করে।
২. ভূমির সঠিক ব্যবহার:
ভারত একটি জনবহুল দেশ যেখানে জমির অভাব রয়েছে। পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো সৌর বা বায়ু খামারের তুলনায় প্রায় ১০ গুণ কম জমিতে একই পরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারে। এটি ১০০ গিগাওয়াট সৌর বিদ্যুৎ তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় বিপুল পরিমাণ কৃষি ও বনভূমি রক্ষা করতে সাহায্য করবে।
৩. পশ্চিম এশিয়ার অস্থিরতা থেকে সুরক্ষা:
মধ্যপ্রাচ্য বা পশ্চিম এশিয়ায় ক্রমাগত অস্থিরতার কারণে জ্বালানি সরবরাহে বাধা এবং মূল্যবৃদ্ধির জোড়া বিপদ তৈরি হয়। ভারত তার অপরিশোধিত তেলের ৮০%-এর বেশি আমদানি করে। একটি শক্তিশালী পারমাণবিক কর্মসূচি এই অস্থির অঞ্চলের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে ভারতের অর্থনীতিকে নিরাপত্তা কবচ প্রদান করবে।
৪. থরিয়াম ভাণ্ডারের ব্যবহার:
বিশ্বের মোট থরিয়াম ভাণ্ডারের ২৫% ভারতে রয়েছে। AHWR এবং HALEU প্রযুক্তিতে সফল হলে ভারত শক্তি আমদানিকারক দেশ থেকে শক্তি রপ্তানিকারক দেশে পরিণত হতে পারে, যা আমাদের কয়েক শতাব্দী ধরে স্বনির্ভর রাখবে।
৫. কঠিন শিল্পগুলোর কার্বন মুক্তি (Decarbonizing Hard-to-Abate Industry):
ইস্পাত, সিমেন্ট এবং পেট্রোকেমিক্যালের মতো ভারী শিল্পগুলোতে প্রচুর তাপের প্রয়োজন হয়, যা কেবল সৌর শক্তি দিয়ে সম্ভব নয়। স্মল মডুলার রিঅ্যাক্টর (SMRs) বা ছোট পারমাণবিক চুল্লিগুলো এই শিল্পগুলোর জন্য একটি স্থানীয় এবং কার্বন-মুক্ত তাপের উৎস হিসেবে কাজ করবে।
৬. কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন এবং রপ্তানি সম্ভাবনা:
শান্তি (SHANTI) আইন ২০২৫ ভারতকে প্রযুক্তির অনুসারী থেকে বিশ্বব্যাপী রপ্তানিকারক হিসেবে গড়ে তুলবে। ভারতের নিজস্ব ২২০ মেগাওয়াট এবং ৭০০ মেগাওয়াট PHWR মডেলগুলো এখন বিশ্বের অন্যান্য দেশের জন্য সাশ্রয়ী সমাধান হিসেবে পরিচিত হচ্ছে, যা ভারতের “সফট পাওয়ার” বৃদ্ধি করবে।
শান্তি আইন (SHANTI Act) ২০২৫: একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ
১. মূল বিধান এবং কাঠামোগত পরিবর্তন:
- পুরানো আইন বাতিল: এটি ১৯৬২ সালের পরমাণু শক্তি আইন এবং ২০১০ সালের সিভিল লায়াবিলিটি ফর নিউক্লিয়ার ড্যামেজ অ্যাক্ট (CLNDA)-কে প্রতিস্থাপন করে একটি আধুনিক কাঠামো তৈরি করেছে।
- বেসরকারি ও বিদেশি অংশগ্রহণ: ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বেসরকারি কোম্পানিগুলোকে (দেশি ও বিদেশি) পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ, মালিকানা এবং পরিচালনার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
- AERB-এর সংবিধিবদ্ধ মর্যাদা: পারমাণবিক শক্তি নিয়ন্ত্রক সংস্থা (AERB) এখন একটি স্বায়ত্তশাসিত সংবিধিবদ্ধ সংস্থায় পরিণত হয়েছে।
- দায়বদ্ধতা কাঠামোর সংস্কার: সরঞ্জাম সরবরাহকারীদের ওপর দায়বদ্ধতার নিয়মগুলো সহজ করা হয়েছে, যাতে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা ভারতে আসতে উৎসাহ পায়।
২. ভারতের ঐতিহ্যবাহী তিন-স্তরের পারমাণবিক কর্মসূচি
১৯৫০-এর দশকে ডক্টর হোমি ভাবা এই কর্মসূচি তৈরি করেছিলেন যাতে ভারতের সীমিত ইউরেনিয়াম ব্যবহার করে বিপুল থরিয়াম ভাণ্ডারকে কাজে লাগানো যায়।
| স্তর (Stage) | প্রযুক্তি / চুল্লির ধরন | জ্বালানি চক্র | লক্ষ্য ও বর্তমান অবস্থা |
| প্রথম স্তর | PHWR (প্রেশারাইজড হেভি ওয়াটার রিঅ্যাক্টর) | প্রাকৃতিক ইউরেনিয়াম (জ্বালানি) + ভারী জল (মডারেটর) | লক্ষ্য: বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং উপজাত হিসেবে প্লুটোনিয়াম-২৩৯ তৈরি করা। অবস্থা: এটি বর্তমানে পূর্ণ সফল; ১৫টির বেশি ইউনিট সচল। |
| দ্বিতীয় স্তর | PFBR (প্রোটোটাইপ ফাস্ট ব্রিডার রিঅ্যাক্টর) | প্লুটোনিয়াম-২৩৯ (মিক্সড অক্সাইড জ্বালানি) + ইউরেনিয়াম-২৩৮ | লক্ষ্য: ব্যবহৃত জ্বালানির চেয়ে বেশি জ্বালানি তৈরি করা। এটি থরিয়াম ব্যবহার করে ইউরেনিয়াম-২৩৩ তৈরির পথ প্রশস্ত করে। অবস্থা: কালপাক্কাম PFBR প্রকল্পটি বর্তমানে প্রধান অগ্রভাগে রয়েছে। |
| তৃতীয় স্তর | AHWR (অ্যাডভান্সড হেভি ওয়াটার রিঅ্যাক্টর) | থরিয়াম-২৩২ + ইউরেনিয়াম-২৩৩ | লক্ষ্য: দীর্ঘমেয়াদী জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য থরিয়ামকে প্রধান জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা। অবস্থা: বর্তমানে গবেষণা ও উন্নয়ন (R&D) স্তরে রয়েছে। |
কেন এই তিন-স্তরের কর্মসূচি?
- সম্পদের সীমাবদ্ধতা (Resource Constraint): বিশ্বে মোট ইউরেনিয়ামের মাত্র ২% ভারতে আছে, কিন্তু বিশ্বের মোট থরিয়াম ভাণ্ডারের ২৫% ভারতে রয়েছে।
- থরিয়ামের চ্যালেঞ্জ: থরিয়াম নিজে থেকে সরাসরি শক্তি উৎপাদন করতে পারে না (এটি “ফিসাইল” বা বিভাজনযোগ্য নয়; এটি “ফার্টাইল”)। একে প্রথমে চুল্লিতে ইউরেনিয়াম-২৩৩-এ রূপান্তরিত করতে হয়।
- পর্যায়ক্রমিক ধাপ (The Sequence): প্রথম স্তরে প্লুটোনিয়াম জমা করা হয়। দ্বিতীয় স্তরে সেই প্লুটোনিয়াম ব্যবহার করে থরিয়ামকে ইউরেনিয়াম-২৩৩-এ “রান্না” বা রূপান্তরিত করা হয়। তৃতীয় স্তরে অবশেষে ইউরেনিয়াম-২৩৩ এবং থরিয়াম পুড়িয়ে শক্তি উৎপাদন করা হয়।
বর্তমান প্রযুক্তিগত প্রেক্ষাপট এবং নতুন কৌশল
১০০ গিগাওয়াট লক্ষ্য অর্জনে ভারত এখন প্রথাগত তিন-স্তরের পরিকল্পনার বাইরেও বহুমুখী পথ গ্রহণ করছে:
১. স্মল মডুলার রিঅ্যাক্টর (SMRs):
“প্লাগ-অ্যান্ড-প্লে” ভবিষ্যৎ ২০২৫-২৬ বাজেটে SMR গবেষণার জন্য ২০,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।
- নকশার বৈচিত্র্য: ভারত পাঁচটি নিজস্ব মডেল তৈরি করছে (৫ মেগাওয়াট, ৫৫ মেগাওয়াট এবং ২০০ মেগাওয়াট)।
- শিল্পের সাথে সমন্বয়: এটি ইস্পাত, সিমেন্ট, পেট্রোকেমিক্যাল এবং ডেটা সেন্টারের মতো ভারী শিল্পগুলোর জন্য তৈরি।
- দ্রুত বাস্তবায়ন: ফ্যাক্টরিতে তৈরি যন্ত্রাংশ ব্যবহারের ফলে নির্মাণ কাজ শুরুর পর মাত্র ৪০ মাসের মধ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব।
- ২২০ মেগাওয়াটের নির্ভরযোগ্য মডেল: ভারতের নিজস্ব ২২০ মেগাওয়াট PHWR-কে এখন বেসরকারি খাতের ব্যবহারের জন্য নতুনভাবে নকশা করা হচ্ছে।
২. উচ্চ-ক্ষমতাসম্পন্ন বৃহৎ চুল্লি (The GW Giants)
শিল্পের জন্য SMR থাকলেও, জাতীয় গ্রিডের জন্য ১০০০ মেগাওয়াট+ ক্ষমতার বড় চুল্লি প্রয়োজন।
- ফ্লিট মোড অপারেশন: খরচ কমাতে এবং সরবরাহ ব্যবস্থা উন্নত করতে ১০টি ৭০০ মেগাওয়াট PHWR চুল্লির এককালীন অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, যা প্রতি মেগাওয়াট খরচ ২০ লক্ষ ডলারে নামিয়ে আনবে।
- বিদেশি প্রযুক্তির দেশীয়করণ:
- জৈতাপুর (ফরাসি EDF): ১,৬৫০ মেগাওয়াটের ৬টি চুল্লি (EPR নকশা)।
- কোভভাদা/মিথি ভির্দি (মার্কিন নকশা): ওয়েস্টিংহাউস এবং জিই-হিটাচি মডেল।
- চ্যালেঞ্জ: এই বিদেশি নকশাগুলোর খরচ বর্তমানে প্রতি মেগাওয়াটে ৫০ লক্ষ ডলার; ভারতের লক্ষ্য হলো যন্ত্রাংশ দেশেই তৈরি করে এই খরচ ৬০% কমিয়ে ফেলা।
৩. জ্বালানি প্রযুক্তিতে নতুন উদ্ভাবন
- HALEU (High Assay Low Enriched Uranium): থরিয়াম ব্যবহারের জন্য HALEU-কে চালিকা শক্তি হিসেবে ব্যবহার করা। এর ফলে দ্বিতীয় স্তরের ব্রিডার রিঅ্যাক্টরের অপেক্ষায় না থেকেই ভারত তার থরিয়াম ভাণ্ডার ব্যবহার শুরু করতে পারবে।
- মোল্টেন-সল্ট রিঅ্যাক্টর (MSR): তরল জ্বালানি চালিত চুল্লির দিকে ঝুঁকে পড়া, যা অনেক বেশি নিরাপদ (গলে যাওয়ার ভয় নেই) এবং থরিয়াম ব্যবহারে অত্যন্ত দক্ষ।
ভারতের পারমাণবিক শক্তি কর্মসূচির চ্যালেঞ্জসমূহ
১. বিপুল মূলধন এবং অর্থায়ন:
- খরচের বাধা: ৯০ গিগাওয়াট ক্ষমতা বাড়াতে প্রায় ২০০ বিলিয়ন ডলার (১৮ লক্ষ কোটি টাকা) প্রয়োজন।
- ঝুঁকির বিষয়: পারমাণবিক প্রকল্পের কাজ শেষ হতে দীর্ঘ সময় (১০-১৫ বছর) লাগে। তাই বেসরকারি বিনিয়োগ টানতে স্বচ্ছ অর্থায়ন মডেল এবং বিদ্যুতের নির্দিষ্ট দাম (Tariff) ঠিক করা জরুরি।
২. প্রযুক্তির দেশীয়করণ এবং খরচের সমতা:
- বিদেশি বনাম দেশি: বিদেশি নকশার খরচ অনেক বেশি। চীনের মতো ভারতকেও সফল হতে হলে বিদেশি চুল্লির যন্ত্রাংশ দেশেই তৈরি করতে হবে যাতে খরচ কমানো যায়।
৩. নিয়ন্ত্রক এবং আইনি জটিলতা:
- নিয়মকানুন ঘোষণা: শান্তি (SHANTI) আইন একটি কাঠামো মাত্র; এর সাফল্য নির্ভর করবে জ্বালানির মালিকানা এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে দ্রুত নিয়ম জারির ওপর।
- জমি এবং সুরক্ষা অঞ্চল: বৃহৎ পারমাণবিক পার্কের নিয়মগুলো পরিবর্তন করতে হবে যাতে ব্যক্তিগত কারখানার ভেতরেও ছোট চুল্লি (SMR) বসানো যায়।
৪. সরবরাহ ব্যবস্থা এবং দক্ষ জনবল:
- উৎপাদন সক্ষমতা: বড় পরিসরে কাজ করতে হলে বিশেষায়িত যন্ত্রাংশ তৈরির ক্ষমতা বাড়াতে হবে।
- দক্ষতার অভাব: ক্ষমতা ১০ গুণ বাড়াতে হলে সমপরিমাণ দক্ষ পারমাণবিক প্রকৌশলী এবং নিরাপত্তা নিরীক্ষক প্রয়োজন।
৫. জনমত এবং দায়বদ্ধতা নিয়ে উদ্বেগ:
- সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা: নিরাপত্তা এবং দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে দায়বদ্ধতা নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে এখনও ভয় আছে।
- স্বচ্ছতা: নিয়ন্ত্রণ সংস্থাকে (AERB) তার নিরপেক্ষতা প্রমাণ করতে হবে যাতে মানুষের আস্থা বজায় থাকে।
৬. জ্বালানি নিরাপত্তা:
- ইউরেনিয়াম আমদানির ওপর নির্ভরতা: থরিয়াম থাকলেও প্রাথমিক স্তরে ভারত এখনও ইউরেনিয়ামের ওপর নির্ভরশীল। তাই আন্তর্জাতিক গোষ্ঠীর (NSG) সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখা জরুরি।
ভবিষ্যৎ পথনির্দেশ
১. দ্রুত নিয়ম জারি: শান্তি আইনের অধীনে দ্রুত নিয়মকানুন স্পষ্ট করতে হবে যাতে বিনিয়োগকারীরা ভরসা পান।
২. SMR-এর দ্রুত ব্যবহার: ভারতের ২২০ মেগাওয়াট চুল্লিকে মডেল হিসেবে ব্যবহার করে শিল্প এলাকায় দ্রুত বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করা।
৩. বিদেশি নকশার ওপর দক্ষতা অর্জন: বিদেশি প্রযুক্তির যন্ত্রাংশ ভারতে তৈরি করে খরচ কমানোর জন্য একটি শক্তিশালী দেশীয় শিল্প গড়ে তোলা।
৪. থরিয়ামের আগাম ব্যবহার: HALEU প্রযুক্তি ব্যবহার করে ২০৪৭ সালের মধ্যেই থরিয়াম থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের চেষ্টা করা।
৫. নতুন অর্থায়ন মডেল: সরকারি বাজেটের ওপর নির্ভর না করে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (PPP) এবং গ্রিন বন্ডের মাধ্যমে টাকা জোগাড় করা।
৬. নিয়ন্ত্রক সংস্থার ক্ষমতা বৃদ্ধি: AERB-কে সম্পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন দেওয়া যাতে তারা নিরাপত্তার ক্ষেত্রে আপসহীন ভূমিকা পালন করতে পারে।
উপসংহার
শান্তি আইন (২০২৫) ভারতকে রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণ থেকে বাজার-মুখী পারমাণবিক শক্তির দিকে নিয়ে গেছে। বেসরকারি পুঁজি এবং দেশীয় ছোট চুল্লির (SMR) সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে ভারত তার ১০০ গিগাওয়াট লক্ষ্য এবং ২০৭০ সালের নেট-জিরো লক্ষ্য অর্জন করতে পারবে।