এই নিবন্ধটি পড়ার পর আপনি UPSC Mains-এর জন্য এই সম্ভাব্য প্রশ্নটি সমাধান করতে পারবেন:
“Judicial recusal in India is guided more by personal discretion than institutional rules.” Critically examine. (১৫ নম্বর, GS-2, রাষ্ট্রব্যবস্থা)
ভূমিকা
ভারতীয় বিচারব্যবস্থার ভিত্তি হলো এর নিরপেক্ষতা (Impartiality)। সম্প্রতি ভারতের প্রধান বিচারপতি (CJI) সূর্য কান্ত ২০২৩ সালের ‘প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার (নিয়োগ ও চাকরির শর্তাবলি) আইন’-এর বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করা মামলা থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন।
- প্রেক্ষাপট: এই নতুন আইনের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের প্যানেল থেকে প্রধান বিচারপতিকে সরিয়ে একজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
- পদক্ষেপ: প্রধান বিচারপতি একে একটি সম্ভাব্য স্বার্থের সংঘাত (Conflict of Interest) হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি নির্দেশ দিয়েছেন যে, এই মামলাটি এমন একটি বেঞ্চ শুনবে যেখানে ভবিষ্যতে প্রধান বিচারপতি হওয়ার লাইনে থাকা কোনো বিচারক থাকবেন না।
- গুরুত্ব: এই ঘটনাটি বিচারিক নৈতিকতা (Judicial Ethics), প্রয়োজনীয়তার নীতি (Doctrine of Necessity) এবং ভারতে বিচারিক প্রত্যাহারের জন্য একটি স্পষ্ট আইনি কাঠামোর প্রয়োজনীয়তা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি করেছে।
বিচারিক প্রত্যাহার কী এবং এর আইনি ভিত্তি
বিচারিক প্রত্যাহার (Judicial Recusal) বলতে বোঝায় যখন একজন বিচারক কোনো মামলা থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন যাতে পক্ষপাতিত্বের কোনো সম্ভাবনা না থাকে। এটি প্রাকৃতিক ন্যায়ের একটি প্রাচীন নীতির ওপর ভিত্তি করে তৈরি: Nemo judex in causa sua — অর্থাৎ, “কেউ নিজের মামলায় নিজে বিচারক হতে পারবেন না।”
ভারতীয় আদালতগুলো সময়ের সাথে সাথে কিছু নমনীয় নিয়ম তৈরি করেছে:
- আর্থিক স্বার্থ (Pecuniary Interest): মানক লাল বনাম ড. প্রেম চাঁদ (১৯৫৭) মামলায় আদালত জানিয়েছিল যে, বিচারকের যদি মামলায় সামান্যতম আর্থিক স্বার্থও থাকে, তবে তিনি বিচার করতে পারবেন না (Automatic Disqualification)।
- পক্ষপাতিত্বের আশঙ্কা (Apprehension of Bias): রঞ্জিত ঠাকুর বনাম ভারত সরকার (১৯৮৭) মামলায় সুপ্রিম কোর্ট একটি বাস্তবসম্মত পরীক্ষা নির্ধারণ করে। এতে বলা হয়, যদি একজন সাধারণ মানুষের মনে পক্ষপাতিত্বের প্রকৃত সম্ভাবনা (Real likelihood of bias) বা যুক্তিসঙ্গত আশঙ্কা তৈরি হয়, তবেই বিচারক সরে দাঁড়াবেন। সামান্য বা কাল্পনিক ভয় প্রত্যাহারের জন্য যথেষ্ট নয়।
মূল বিষয় (Key Point): প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তটি সম্পূর্ণভাবে বিচারকের নিজস্ব বিবেকের (Conscience) ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। কোনো আইনজীবী বা পক্ষ বিচারককে সরে দাঁড়াতে বাধ্য করতে পারে না। ভারতে এখনো এমন কোনো নির্দিষ্ট আইন (Statute) নেই যা প্রত্যাহারের নিয়মগুলোকে সংজ্ঞায়িত করে।
বৈশ্বিক তুলনা: এর বিপরীতে, যুক্তরাষ্ট্রে Section 455 of Title 28 নামক একটি আইন রয়েছে। যেখানে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, যদি বিচারকের নিরপেক্ষতা নিয়ে কোনো যুক্তিসঙ্গত প্রশ্ন (Reasonably questioned) ওঠে, তবে তাকে অবশ্যই নিজেকে সরিয়ে নিতে হবে।
গুরুত্বপূর্ণ নজির এবং প্রয়োজনীয়তার নীতি
বিচারিক প্রত্যাহারের নৈতিকতা এবং প্রয়োজনীয়তার নীতি (Doctrine of Necessity)-র মধ্যে একটি উল্লেখযোগ্য দ্বন্দ্ব বিদ্যমান। এই নীতি অনুযায়ী, যদি কোনো বিকল্প আদালত বা বিচারমঞ্চ না থাকে, তবে সম্ভাব্য পক্ষপাতিত্ব থাকা সত্ত্বেও একজন বিচারককে মামলাটি শুনতে হবে।
১. এনজেএসি (NJAC) মামলা (২০১৫): সবচেয়ে প্রাসঙ্গিক উদাহরণ হলো সুপ্রিম কোর্ট অ্যাডভোকেটস-অন-রেকর্ড অ্যাসোসিয়েশন বনাম ভারত সরকার (২০১৫) মামলা, যেখানে ২০১৪ সালের জাতীয় বিচার বিভাগীয় নিয়োগ কমিশন (NJAC) আইনকে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছিল।
- ঘটনা: পাঁচ সদস্যের একটি সাংবিধানিক বেঞ্চ এই মামলাটি শুনেছিল। আইনজীবীরা বিচারপতি জে.এস. খেহরকে (Justice J.S. Khehar) সরে দাঁড়ানোর অনুরোধ করেছিলেন, কারণ তিনি ভবিষ্যতে প্রধান বিচারপতি হবেন এবং কোলিজিয়াম ব্যবস্থা বা NJAC—কোনটি চালু থাকবে, তাতে তার প্রাতিষ্ঠানিক স্বার্থ ছিল।
- প্রত্যাখ্যান: বিচারপতি খেহর সরে দাঁড়াতে অস্বীকার করেন এবং দুটি শক্তিশালী কারণ নির্দেশ করেন:
- যৌথ স্বার্থ: বেঞ্চের প্রতিটি বিচারক একই সম্ভাব্য সংঘাতের সম্মুখীন ছিলেন কারণ মামলাটিতে আবেদনকারীরা জিতলে তারা সবাই কোলিজিয়ামের (Collegium) অংশ হতেন।
- প্রয়োজনীয়তার নীতি: তিনি এই নীতিটি প্রয়োগ করেন। এই নীতি বলে যে, যখন সমক্ষমতাসম্পন্ন অন্য কোনো আদালত থাকে না, তখন বিচারকদের মামলাটি শুনতেই হবে—এমনকি সেখানে প্রযুক্তিগত কোনো সংঘাত থাকলেও। অন্যথায়, ন্যায়বিচার অস্বীকার করা হবে।
- সিদ্ধান্ত: তিনি যোগ করেন যে, সরে দাঁড়ানো একটি “ভুল নজির” (Wrong Precedent) স্থাপন করবে। অন্যদিকে, বিচারপতি কুরিয়ান জোসেফ (Justice Kurian Joseph) তার পৃথক রায়ে বলেন যে, যখন একজন বিচারক নিজেকে প্রত্যাহার করেন, তখন তাকে তার সাংবিধানিক শপথের অধীনে স্বচ্ছতার (Transparency) স্বার্থে কারণগুলো স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করা উচিত।
বর্তমান প্রত্যাহারের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা ও চ্যালেঞ্জসমূহ
বর্তমান নির্বাচন কমিশনার (CEC) নিয়োগ সংক্রান্ত মামলায় প্রধান বিচারপতির সরে দাঁড়ানো বেশ কিছু ব্যবহারিক এবং সাংবিধানিক প্রশ্ন তুলেছে:
- সবার জন্য প্রযোজ্য সংঘাত (Common Conflict): ‘সেকেন্ড জাজেস কেস’ (Second Judges Case) দ্বারা নির্ধারিত জ্যেষ্ঠতার নিয়ম (Seniority Rule) অনুযায়ী, সুপ্রিম কোর্টের প্রতিটি বিচারকই একদিন প্রধান বিচারপতি হতে পারেন। সুতরাং এই সংঘাত কোনো একজন বিচারকের ব্যক্তিগত বিষয় নয়, বরং এটি পুরো প্রতিষ্ঠানের জন্য সাধারণ।
- প্রধান বিচারপতির আগাম নির্দেশনা (Pre-emptive Direction): ভবিষ্যৎ বেঞ্চে প্রধান বিচারপতি হওয়ার লাইনে থাকা বিচারকদের বাদ দেওয়ার নির্দেশ দিয়ে সিজেআই (CJI) এমন বিচারকদের পক্ষপাতের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যারা এখনও মামলাটি শোনেননি। প্রত্যাহার আসলে একজন বিচারকের ব্যক্তিগত বিবেকের (Individual Conscience) বিষয় হওয়া উচিত, মাস্টার অফ দ্য রোস্টার (Master of the Roster)-এর নির্দেশ নয়।
- অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ: পদত্যাগ, মৃত্যু বা অসুস্থতার কারণে জ্যেষ্ঠতার তালিকা পরিবর্তিত হতে পারে। আজ যাকে “তালিকার বাইরে” বলা হচ্ছে, তিনি কালই প্রধান বিচারপতি হতে পারেন।
- মাস্টার অফ দ্য রোস্টার ক্ষমতা: নিজেকে প্রত্যাহার করার পরেও, প্রধান বিচারপতিই ঠিক করেন কোন বেঞ্চ মামলাটি শুনবে। এটি সেই একই স্বার্থের সংঘাতের (Conflict-of-interest) সন্দেহ তৈরি করে যা দূর করার জন্য এই প্রত্যাহার করা হয়েছিল।
- সুনির্দিষ্ট আইনের অভাব: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো ভারতে প্রত্যাহারের কোনো সংবিধিবদ্ধ নিয়ম (Statutory Law) বা আইন নেই। সবকিছুই বিচারকের ব্যক্তিগত বোধের ওপর নির্ভর করে।
অতীতের কিছু উদাহরণ
- প্রত্যাহার করা হয়েছে: ২০২১ সালে পশ্চিমবঙ্গ সংক্রান্ত মামলা থেকে বিচারপতি ইন্দিরা ব্যানার্জী এবং বিচারপতি অনিরুদ্ধ বোস সরে দাঁড়িয়েছিলেন।
- প্রত্যাহার প্রত্যাখ্যান: ২০২৩ সালে সঞ্জীব ভাট মামলায় বিচারপতি এম.আর. শাহ সরে দাঁড়াতে অস্বীকার করেন। তিনি বলেন যে শুধুমাত্র জনগণের দাবি প্রত্যাহারের জন্য যথেষ্ট নয়। বিচারপতি অরুণ মিশ্রও তার নিজের দেওয়া রায়ের রিভিউ করার সময় সরে দাঁড়াতে অস্বীকার করেছিলেন।
- অস্পষ্ট আশঙ্কা খারিজ: পাঞ্জাব রাজ্য বনাম দেবেন্দর পাল সিং ভুল্লার (২০১১) মামলায় আদালত রায় দেয় যে, শুধুমাত্র সন্দেহ বা আবেগপ্রবণ অবিশ্বাস (Emotional Distrust) প্রত্যাহারের কারণ হতে পারে না।
বিচারবিভাগ ও জনআস্থার ওপর প্রভাব
বিচারিক প্রত্যাহার (Recusal) যেভাবে পরিচালিত হয়, তার সরাসরি প্রভাব একটি গণতন্ত্রের সুস্বাস্থ্যের ওপর পড়ে:
- প্রাতিষ্ঠানিক কর্তৃত্বের অবক্ষয় (Erosion of Institutional Authority): বারবার বা ব্যাখ্যাহীন প্রত্যাহার জনমনে এমন ধারণা তৈরি করতে পারে যে, বিচারবিভাগ “রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল” (Politically Sensitive) মামলাগুলো এড়িয়ে যেতে চাইছে।
- বেঞ্চ হান্টিং (Bench Hunting): স্পষ্ট নিয়ম না থাকলে, আইনজীবীরা নির্দিষ্ট বিচারকদের ওপর সরে দাঁড়ানোর চাপ দিতে পারেন, যাতে তারা নিজেদের অনুকূলে কোনো বেঞ্চ পেতে পারেন। একে “ফোরাম শপিং” (Forum Shopping) বলা হয়।
- স্বচ্ছতার ঘাটতি (Transparency Deficit): যখন বিচারকের মৌখিক মন্তব্য পক্ষপাতিত্বের ইঙ্গিত দেয় কিন্তু লিখিত আদেশে তা উল্লেখ থাকে না, তখন সরকারি নথিতে একটি শূন্যতা তৈরি হয়। এটি বিচার প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতাকে (Transparency) ক্ষতিগ্রস্ত করে।
বৈশ্বিক সর্বোত্তম অনুশীলন
| দেশ | মেকানিজম বা পদ্ধতি |
| মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র | Section 455 of Title 28 অনুযায়ী একটি সংবিধিবদ্ধ মানদণ্ড রয়েছে, যেখানে নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠলে বিচারককে অবশ্যই নিজেকে সরিয়ে নিতে হয়। |
| যুক্তরাজ্য | এখানে “Fair-Minded and Informed Observer” (সুচিন্তিত ও সচেতন পর্যবেক্ষক) পরীক্ষা ব্যবহার করা হয়; যদি এমন কোনো পর্যবেক্ষক পক্ষপাতের সম্ভাবনা দেখেন, তবে প্রত্যাহার বাধ্যতামূলক। |
| জার্মানি | পক্ষগুলোর “পক্ষপাতিত্বের ভয়” (Fear of bias)-এর ভিত্তিতে বিচারককে চ্যালেঞ্জ করার আইনি অধিকার রয়েছে এবং এই সিদ্ধান্তটি একা ওই বিচারক নন, বরং বেঞ্চের বাকিরা নেন। |
ভবিষ্যতের পথনির্দেশ: বিচারিক কাঠামো শক্তিশালীকরণ
বিচারিক প্রত্যাহারের প্রক্রিয়াকে ‘ব্যক্তিগত পছন্দ’ থেকে ‘প্রাতিষ্ঠানিক বাধ্যবাধকতায়’ রূপান্তর করতে নিম্নলিখিত সংস্কারগুলি অত্যন্ত জরুরি:
- ১. সুনির্দিষ্ট আইন বা নির্দেশিকা প্রণয়ন (Codification of Rules): ভারতের উচিত একটি নির্দিষ্ট সংবিধিবদ্ধ আইন (Statutory Law) অথবা সুপ্রিম কোর্টের মাধ্যমে একটি বাধ্যতামূলক আচরণবিধি (Binding Code of Conduct) তৈরি করা। যেখানে আর্থিক স্বার্থ, পারিবারিক সম্পর্ক বা পূর্ববর্তী পেশাগত সংশ্লিষ্টতার মতো বস্তুনিষ্ঠ ভিত্তি (Objective Grounds) স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকবে।
- ২. কারণ দর্শানো বাধ্যতামূলক করা (Mandatory Reasoned Orders): বিচারপতি কুরিয়ান জোসেফের মতানুসারে, একজন বিচারক কেন সরে দাঁড়াচ্ছেন (বা কেন সরে দাঁড়াতে অস্বীকার করছেন), তার একটি সংক্ষিপ্ত লিখিত কারণ (Written Reasons) থাকা উচিত। এটি বিচারব্যবস্থায় স্বচ্ছতা (Transparency) নিশ্চিত করবে এবং ভবিষ্যতের জন্য একটি নজির (Precedent) তৈরি করবে।
- ৩. আবেদনের নিষ্পত্তির জন্য পৃথক ব্যবস্থা (Protocol for Challenges): পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ উঠলে সংশ্লিষ্ট বিচারক নিজে সিদ্ধান্ত না নিয়ে একটি অভ্যন্তরীণ কমিটি (Internal Committee) বা অন্য জ্যেষ্ঠ বিচারকদের মাধ্যমে সেই আবেদনটি নিষ্পত্তি করা উচিত। এটি ‘Nemo judex in causa sua’ (কেউ নিজের মামলায় বিচারক হতে পারবেন না) নীতিটিকে আরও শক্তিশালী করবে।
- ৪. আগাম ঘোষণা বা ডিসক্লোজার নর্মস (Proactive Disclosure Norms): মামলা শুরুর আগেই বিচারকদের উচিত তাদের কোনো সম্ভাব্য স্বার্থ (আর্থিক বা ব্যক্তিগত) থাকলে তা স্বপ্রণোদিতভাবে প্রকাশ (Proactive Disclosure) করা। এতে মাঝপথে মামলা থমকে যাওয়ার ভয় থাকে না এবং আদালতের মর্যাদা (Integrity) বৃদ্ধি পায়।
- ৫. মাস্টার অফ দ্য রোস্টার ক্ষমতার নিরপেক্ষতা (Neutrality in Roster Power): যখন খোদ প্রধান বিচারপতি (CJI) কোনো মামলা থেকে সরে দাঁড়ান, তখন নতুন বেঞ্চ গঠনের দায়িত্ব পরবর্তী জ্যেষ্ঠতম অ-সংঘাতপূর্ণ বিচারকের (Senior-most Non-conflicted Judge) হাতে থাকা উচিত অথবা একটি স্বয়ংক্রিয় কম্পিউটারাইজড সিস্টেম ব্যবহার করা যেতে পারে।
উপসংহার
“ন্যায়বিচার কেবল করলেই হবে না, তা যেন সঠিক মনে হয়” (Justice must not only be done but also be seen to be done)—এই নীতিটিই বিচারবিভাগের বৈধতার ভিত্তি। যদিও সাম্প্রতিক প্রত্যাহারগুলো উচ্চমানের ব্যক্তিগত নৈতিকতা প্রদর্শন করে, তবুও তা একটি কাঠামোগত শূন্যতাকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরে। সুপ্রিম কোর্টের অখণ্ডতা রক্ষা করতে এবং ভারতের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার দীর্ঘমেয়াদী স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে ব্যক্তিগত বিবেকের উর্ধ্বে উঠে একটি নীতিভিত্তিক ও স্বচ্ছ কাঠামো গ্রহণ করা অপরিহার্য।