🔥 42 IAS Prelims 2026 Questions Themes Came Directly from Our Expected Topics. Click for the Proof. 🔥 Free IAS Guidance Programme. Click Now. 🔥 Free Mains Performance Enhancement Programme For IAS Mains 2026. Click Now. 🔥 Free Ethics & Essay Marks Improvement Programme For IAS Mains 2026. Click Now.

আরাবল্লী কমিটি: গ্রামীণ সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে ডিজিটাল পক্ষপাতের আশঙ্কা তুলে ধরলেন পরিবেশবিদরা

Aravalli Panel: Environmentalists Flag Digital Bias Against Rural Communities

প্রেক্ষাপট

  • সম্প্রতি, সুপ্রিম কোর্ট পরিবেশ, ভূতত্ত্ব ও বৈজ্ঞানিক তথ্যের ভিত্তিতে আরাবল্লী পর্বতমালার সংজ্ঞা ও সীমানা (delineation) পুনর্নির্ধারণের জন্য পাঁচ সদস্যের একটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কমিটি (High-Powered Committee – HPC) গঠন করেছে। আদালত অক্টোবর ২০২৫-এ পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রক (MoEFCC)-এর রিপোর্টে গুরুতর অস্পষ্টতা থাকায় সেটির কার্যকারিতা স্থগিত করেছে। কমিটিকে ৩১ আগস্ট, ২০২৬-এর মধ্যে তাদের চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মূল বিরোধ

  • ৫০০ মিটার প্যারাডক্স
  • পূর্ববর্তী প্রতিবেদনে দুই বা ততোধিক যোগ্য পাহাড়ের মধ্যে সর্বাধিক ৫০০ মিটার ব্যবধান থাকলেই কেবল সেই অঞ্চলকে আরাবল্লী পর্বতমালার অংশ হিসেবে ধরা হয়েছে।
  • বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সংকীর্ণ সংজ্ঞা সংরক্ষিত এলাকার পরিসর কমিয়ে দেয়, ফলে মাঝের বিস্তীর্ণ অঞ্চল বাণিজ্যিক খনন কার্যকলাপের জন্য উন্মুক্ত হয়ে পড়তে পারে।
  • ১০০ মিটার উচ্চতার মানদণ্ড
  • পূর্ববর্তী মূল্যায়নে দাবি করা হয়েছিল যে রাজস্থানের ১২,০৮১টি পাহাড়ের মধ্যে মাত্র ১,০৪৮টি পাহাড় ১০০ মিটার উচ্চতার মানদণ্ড পূরণ করে।
  • নতুন HPC যাচাই করবে, এই মানদণ্ডের কারণে কম উচ্চতার হলেও পরিবেশগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বাফার অঞ্চল হিসেবে কাজ করা পাহাড়গুলো অন্যায়ভাবে বাদ পড়েছে কি না।
  • ধারাবাহিকতা বনাম খণ্ডীকরণ (Contiguity vs. Fragmentation)
  • কমিটি মূল্যায়ন করছে, ১০০ মিটারের বেশি উচ্চতার পাহাড়গুলো বড় ভৌগোলিক ব্যবধান থাকা সত্ত্বেও একটি ধারাবাহিক (continuous) পরিবেশগত ব্যবস্থা গঠন করে কি না।
  • যদি তা প্রমাণিত হয়, তবে সমগ্র পর্বতমালাকে পূর্ণাঙ্গ নিয়ন্ত্রক সুরক্ষার আওতায় আনার সুপারিশ করা হতে পারে।

উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কমিটির (HPC) কাঠামো

  • সভাপতিত্ব: কমিটির পদাধিকারবলে (Ex-officio) সভাপতি হলেন ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব ফরেস্ট্রি রিসার্চ অ্যান্ড এডুকেশন (ICFRE)-এর মহাপরিচালক, বর্তমানে কাঞ্চন দেবী
  • গঠন: কমিটিতে ভূতত্ত্ব, মৃত্তিকা বিজ্ঞান, জীববৈচিত্র্য এবং বৈজ্ঞানিক ভূ-মানচিত্রায়ন (Geo-mapping)-এর বিশেষজ্ঞরা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। এছাড়াও ফরেস্ট সার্ভে অব ইন্ডিয়া (FSI) এবং জিওলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়া (GSI)-এর প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।
  • দায়িত্ব (Mandate): সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩২ ও ১৪২-এর অধীন সুপ্রিম কোর্টের ক্ষমতা প্রয়োগ করে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে।এর উদ্দেশ্য হলো অংশগ্রহণমূলক আলোচনা নিশ্চিত করা এবং স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও বৈজ্ঞানিক পরিবেশগত মূল্যায়ন উপস্থাপন করা।

বর্তমান শাসনব্যবস্থার প্রতিবন্ধকতা

আদিবাসী সমন্বয় মঞ্চ ভারত এবং রিজ বাঁচাও আন্দোলন-সহ বিভিন্ন পরিবেশবাদী সংগঠন ও তৃণমূলের কর্মীরা কমিটির জনপরামর্শ (Public Consultation) প্রক্রিয়ায় একাধিক গুরুতর ত্রুটির কথা তুলে ধরেছেন।

  • ডিজিটাল বঞ্চনা (Digital Exclusion)
  • কমিটি শুধুমাত্র ই-মেল এবং গুগল ফর্ম-এর মাধ্যমে জনমত আহ্বান করেছে।
  • পরিবেশবাদীদের মতে, এই পদ্ধতি আরাবল্লী অঞ্চলের প্রত্যন্ত গ্রামীণ ও আদিবাসী জনগোষ্ঠীকে কার্যত প্রক্রিয়ার বাইরে রেখে দিচ্ছে, কারণ তাঁদের অনেকেরই ডিজিটাল সাক্ষরতা ও ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ সীমিত
  • অপর্যাপ্ত পরামর্শের সময়সীমা (Inadequate Consultation Window)
  • জনমত দেওয়ার জন্য নির্ধারিত মাত্র ২১ দিনের সময়সীমা অত্যন্ত অপ্রতুল বলে সমালোচনা করা হয়েছে।
  • প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের পক্ষে এই স্বল্প সময়ে বিষয়টি বোঝা, আলোচনা করা এবং তাঁদের পরিবেশগত উদ্বেগ যথাযথভাবে তুলে ধরা বাস্তবসম্মত নয়।
  • পরিবেশগত বিধি লঙ্ঘন (Regulatory Non-Compliance)
  • স্থানীয় সংগঠনগুলির অভিযোগ, হরিয়ানা, রাজস্থান ও গুজরাটের বহু বৈধ খনি লিজধারী প্রতিষ্ঠান প্রকাশ্যে পরিবেশগত বিধিনিষেধ লঙ্ঘন করছে।
  • এর ফলে স্থানীয় মানুষের স্বাস্থ্য, জীবিকা ও পরিবেশের অপূরণীয় ক্ষতি হচ্ছে।
  • প্রস্তাবিত বিকল্প ব্যবস্থা (Proposed Alternative)

পরিবেশবাদীদের দাবি—

  • জনবিজ্ঞপ্তি স্থানীয় ভাষায় প্রকাশ করতে হবে।
  • সেগুলি পঞ্চায়েত ভবন, বিদ্যালয় এবং অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রগুলোতে প্রদর্শন করতে হবে।
  • পাশাপাশি, কমিটির সদস্যদের ক্ষেত্রসমীক্ষা (Field Visit) বাধ্যতামূলক করতে হবে, যাতে স্থানীয় জনগণের মতামত সরাসরি সংগ্রহ করা যায়।
প্রশ্ন: আরাবল্লী পর্বতমালা (Aravali Hill Range)-এর প্রসঙ্গে নিম্নলিখিত বিবৃতিগুলি বিবেচনা করুন:
1. আরাবল্লী পর্বতমালা বিশ্বের প্রাচীনতম ভাঁজ (Fold) পর্বতমালা ব্যবস্থাগুলির অন্যতম।
2. আরাবল্লীর সর্বোচ্চ শৃঙ্গ গুরু শিখর হরিয়ানায় অবস্থিত।
3. আরাবল্লী পর্বতমালা থর মরুভূমির পূর্বদিকে বিস্তার রোধে একটি প্রাকৃতিক বাধা হিসেবে কাজ করে।
4. আরাবল্লী পর্বতমালা দিল্লি, হরিয়ানা, রাজস্থান এবং গুজরাট রাজ্যের মধ্য দিয়ে বিস্তৃত।
উপরের কোন বিবৃতিগুলি সঠিক?
A. শুধুমাত্র ১, ২ এবং ৩
B. শুধুমাত্র ১, ৩ এবং ৪
C. শুধুমাত্র ২ এবং ৪
D. ১, ২, ৩ এবং ৪
উত্তর: B. শুধুমাত্র ১, ৩ এবং ৪
বিবৃতি ১ সঠিক:
আরাবল্লী পর্বতমালা বিশ্বের প্রাচীনতম ভাঁজ পর্বতমালা ব্যবস্থাগুলির অন্যতম এবং দীর্ঘ ভূতাত্ত্বিক সময়ে ব্যাপক ক্ষয় (Erosion)-এর ফলে বর্তমান রূপ লাভ করেছে।
বিবৃতি ২ ভুল: গুরু শিখর (উচ্চতা ১,৭২২ মিটার) আরাবল্লীর সর্বোচ্চ শৃঙ্গ এবং এটি রাজস্থানের মাউন্ট আবুতে অবস্থিত; হরিয়ানায় নয়।
বিবৃতি ৩ সঠিক: আরাবল্লী পর্বতমালা থর মরুভূমির পূর্বমুখী বিস্তার রোধে প্রাকৃতিক প্রতিবন্ধক হিসেবে কাজ করে এবং মরুকরণ (Desertification) কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
বিবৃতি ৪ সঠিক: আরাবল্লী পর্বতমালা প্রায় ৭০০ কিলোমিটার বিস্তৃত এবং দিল্লি, হরিয়ানা, রাজস্থান ও গুজরাট রাজ্যের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করেছে।

Latest Articles

×

FREE IAS GUIDANCE PROGRAMME

Enroll Now