🔥 42 IAS Prelims 2026 Questions Themes Came Directly from Our Expected Topics. Click for the Proof. 🔥 42 IAS Prelims 2026 Questions Themes Came Directly from Our Expected Topics. Click for the Proof. 🔥 42 IAS Prelims 2026 Questions Themes Came Directly from Our Expected Topics. Click for the Proof.

জম্মু ও কাশ্মীরের রাজ্যের মর্যাদা: সাংবিধানিক, রাজনৈতিক ও যুক্তরাষ্ট্রীয় অপরিহার্যতা

Jammu & Kashmir Statehood: The Constitutional, Political and Federal Imperative

এই প্রবন্ধটি পড়ার পর আপনি নিম্নলিখিত UPSC Mains-এর মডেল প্রশ্নটির উত্তর লিখতে সক্ষম হবেন:

The restoration of statehood to Jammu & Kashmir is not merely a political demand but a constitutional imperative rooted in the principles of federalism, democratic accountability, and representative governance. Discuss in the light of recent developments and the Supreme Court’s judgment on Article 370. 15 Marks (GS 2, Polity and Governance)

প্রেক্ষাপট

অনুচ্ছেদ ৩৭০ এবং অনুচ্ছেদ ৩৫এ (৫ আগস্ট, ২০১৯) বাতিল হওয়ার প্রায় সাত বছর পর জম্মু ও কাশ্মীরের পূর্ণ রাজ্যের মর্যাদা (Statehood) পুনর্বহালের দাবি আবারও জোরালো হয়েছে। বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল (Union Territory) হিসেবে এর অব্যাহত অবস্থান যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা (Federalism), গণতান্ত্রিক প্রতিনিধিত্ব এবং সাংবিধানিক শাসনব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি করেছে।

ভূমিকা

  • স্বাধীনতার পর থেকে জম্মু ও কাশ্মীর অনুচ্ছেদ ৩৭০-এর অধীনে বিশেষ সাংবিধানিক মর্যাদা ভোগ করত। জম্মু ও কাশ্মীর পুনর্গঠন আইন, ২০১৯ (Jammu and Kashmir Reorganisation Act, 2019)-এর মাধ্যমে এই বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহার করা হয় এবং তৎকালীন রাজ্যকে জম্মু ও কাশ্মীরলাদাখ—এই দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে (Union Territory) বিভক্ত করা হয়।
  • Re: Article 370 (২০২৩) মামলায় সুপ্রিম কোর্ট অনুচ্ছেদ ৩৭০ বাতিলের বৈধতা বহাল রাখলেও, কেন্দ্র সরকারকে যত দ্রুত সম্ভব (At the Earliest) জম্মু ও কাশ্মীরের রাজ্যের মর্যাদা পুনর্বহাল করার নির্দেশ দেয়। ফলে যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা, গণতান্ত্রিক প্রতিনিধিত্ব এবং আঞ্চলিক স্বায়ত্তশাসন নিয়ে বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে।

ঐতিহাসিক পটভূমি

১. ভারতের সঙ্গে সংযুক্তি (Accession to India, ১৯৪৭)

  • ২৬ অক্টোবর ১৯৪৭-এ মহারাজা হরি সিং (Maharaja Hari Singh) ইনস্ট্রুমেন্ট অব অ্যাকসেশন (Instrument of Accession)-এ স্বাক্ষর করেন, যার মাধ্যমে পাকিস্তান-সমর্থিত উপজাতীয় আক্রমণের প্রেক্ষাপটে জম্মু ও কাশ্মীর ভারতের অংশ হয়ে ওঠে।
  • প্রাথমিকভাবে এই সংযুক্তি প্রতিরক্ষা (Defence), পররাষ্ট্র (Foreign Affairs) এবং যোগাযোগ (Communications)-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল; অভ্যন্তরীণ স্বায়ত্তশাসন (Internal Autonomy) মূলত অক্ষুণ্ণ রাখা হয়।

২. অনুচ্ছেদ ৩৭০ (Article 370)

  • অনুচ্ছেদ ৩৭০ জম্মু ও কাশ্মীরকে বিশেষ সাংবিধানিক মর্যাদা প্রদান করেছিল, যা তার অনন্য ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রতিফলন।
  • এর মাধ্যমে রাজ্যটি নিজস্ব সংবিধান, পৃথক পতাকা এবং অধিকতর আইন প্রণয়নের ক্ষমতা (Legislative Autonomy) লাভ করেছিল। বহু কেন্দ্রীয় আইন কার্যকর করতে রাজ্যের সম্মতি প্রয়োজন হতো।

৩. অনুচ্ছেদ ৩৫এ (১৯৫৪ সালের রাষ্ট্রপতির আদেশ)

  • ১৯৫৪ সালের রাষ্ট্রপতির আদেশের (Presidential Order) মাধ্যমে অনুচ্ছেদ ৩৫এ সংযোজিত হয়।
  • এটি জম্মু ও কাশ্মীরের বিধানসভাকে ‘স্থায়ী বাসিন্দা’ (Permanent Residents) নির্ধারণের ক্ষমতা দেয়।
  • স্থায়ী বাসিন্দাদের ভূমির মালিকানা, সরকারি চাকরি, বৃত্তি এবং স্থায়ীভাবে বসবাসের একচেটিয়া অধিকার প্রদান করা হয়েছিল, যাতে অঞ্চলের জনসংখ্যাগত ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক পরিচয় সংরক্ষিত থাকে।

বর্তমান অবস্থা

. সাংবিধানিক পুনর্গঠন (২০১৯)

  • ৫ আগস্ট ২০১৯-এ কেন্দ্র সরকার অনুচ্ছেদ ৩৭০ বাতিল, অনুচ্ছেদ ৩৫এ অপসারণ এবং জম্মু ও কাশ্মীর পুনর্গঠন আইন, ২০১৯ কার্যকর করে।

. দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল গঠন

  • তৎকালীন রাজ্যকে বিভক্ত করে বিধানসভাসহ জম্মু ও কাশ্মীর এবং বিধানসভাবিহীন লাদাখ—এই দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল গঠন করা হয়।

. নির্বাচনী প্রক্রিয়ার পুনঃপ্রতিষ্ঠা

  • কয়েক বছর কেন্দ্রীয় শাসনের পর বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে, ফলে পুনরায় একটি নির্বাচিত সরকার গঠিত হয়েছে।

. নির্বাচিত সরকারের সীমিত ক্ষমতা

  • জনশৃঙ্খলা (Public Order), পুলিশ এবং ভূমি-সংক্রান্ত বিষয়গুলি এখনও লেফটেন্যান্ট গভর্নরের (Lieutenant Governor) অধীনে রয়েছে, ফলে নির্বাচিত সরকারের স্বায়ত্তশাসন সীমিত।

. রাজ্যের মর্যাদা পুনর্বহাল এখনো বাকি

  • কেন্দ্র সরকারের একাধিক আশ্বাস এবং সুপ্রিম কোর্টের “যত দ্রুত সম্ভব” রাজ্যের মর্যাদা ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ সত্ত্বেও, জম্মু ও কাশ্মীর এখনও একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল, যা যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা ও গণতান্ত্রিক শাসন নিয়ে বিতর্ককে আরও উস্কে দিচ্ছে।

রাজ্যের মর্যাদা পুনর্বহাল কেন গুরুত্বপূর্ণ?

. গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা শক্তিশালী করা

  • রাজ্যের মর্যাদা পুনর্বহাল হলে নির্বাচিত প্রতিনিধিরা প্রকৃত নির্বাহী ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন, ফলে শাসনব্যবস্থা আরও গণতান্ত্রিক ও জবাবদিহিমূলক হবে।

. সাংবিধানিক যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা (Constitutional Federalism) রক্ষা

  • রাজ্যের মর্যাদা পুনর্বহাল ভারতের যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোকে আরও শক্তিশালী করবে, যা সুপ্রিম কোর্ট সংবিধানের মৌলিক কাঠামোর (Basic Structure) অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।

. সাংবিধানিক নৈতিকতা (Constitutional Morality) প্রতিষ্ঠা

  • এটি প্রতিনিধিত্বমূলক সরকার, গণতান্ত্রিক অংশগ্রহণ এবং আইনের শাসন-সংক্রান্ত সাংবিধানিক মূল্যবোধকে সুদৃঢ় করে।

. গণতান্ত্রিক জবাবদিহিতা বৃদ্ধি

  • একটি পূর্ণাঙ্গ রাজ্য সরকার সরাসরি বিধানসভা এবং জনগণের কাছে জবাবদিহি থাকে, ফলে জনপর্যবেক্ষণ ও স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পায়।

. প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধি

  • রাজ্যের মর্যাদা থাকলে স্থানীয়ভাবে নির্বাচিত সরকার আঞ্চলিক চাহিদা, উন্নয়ন অগ্রাধিকার এবং প্রশাসনিক সমস্যার দ্রুত ও কার্যকর সমাধান করতে পারে।

. রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা

  • রাজ্যের মর্যাদা পুনর্বহাল জনগণের আস্থা বৃদ্ধি, রাজনৈতিক অংশগ্রহণ উৎসাহিত করা এবং কেন্দ্র–রাজ্য সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে সহায়তা করতে পারে।

রাজ্যের মর্যাদা পুনর্বহালে বিলম্বের চ্যালেঞ্জ

১. নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগ (Security Concerns)

  • কেন্দ্র সরকারের মতে, পূর্ণ রাজ্যের মর্যাদা পুনর্বহালের আগে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং সন্ত্রাসবাদ দমনে কার্যকর নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

২. পাকিস্তান-সমর্থিত সন্ত্রাসবাদ (Pakistan-Sponsored Terrorism)

  • সীমান্তপারের অনুপ্রবেশ (Cross-border Infiltration), হাইব্রিড সন্ত্রাসবাদ (Hybrid Terrorism), ড্রোনের মাধ্যমে চোরাচালান (Drone-based Smuggling) এবং মাদক–সন্ত্রাসবাদ যোগসূত্র (Narcotics-Terror Nexus)-এর মতো স্থায়ী নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ এখনও এই অঞ্চলের স্থিতিশীলতার জন্য বড় হুমকি।

৩. কৌশলগত সীমান্ত ব্যবস্থাপনা (Strategic Border Management)

  • জম্মু ও কাশ্মীরের পাকিস্তান ও চীনের সঙ্গে আন্তর্জাতিক সীমান্ত থাকায় জাতীয় নিরাপত্তা এবং সীমান্ত ব্যবস্থাপনা শাসনব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ বিবেচ্য বিষয়।

৪. রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক প্রশ্ন (Political and Constitutional Issues)

  • সীমানা পুনর্নির্ধারণ (Delimitation), আঞ্চলিক প্রতিনিধিত্ব (Regional Representation) এবং ২০১৯-পরবর্তী সাংবিধানিক কাঠামো নিয়ে মতপার্থক্যের কারণে রাজনৈতিক ঐকমত্য প্রতিষ্ঠা বিলম্বিত হচ্ছে।

৫. স্থিতিশীল শাসনব্যবস্থা ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রস্তুতি (Stable Governance and Institutional Readiness)

  • কেন্দ্র সরকারের মতে, দীর্ঘমেয়াদি শান্তি, কার্যকর শাসনব্যবস্থা এবং গণতান্ত্রিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে রাজ্যের মর্যাদা পুনর্বহালের আগে নিরাপদ পরিবেশ, শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার ধারাবাহিক কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠা করা জরুরি।

সাংবিধানিক ও আইনি দিক (Constitutional and Legal Dimensions)

অনুচ্ছেদ ১ (Article 1)

  • জম্মু ও কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ (Integral Part of India)

অনুচ্ছেদ ৩ (Article 3)

সংসদের (Parliament) ক্ষমতা রয়েছে—

  • নতুন রাজ্য সৃষ্টি করা।
  • রাজ্যের সীমানা পরিবর্তন করা।
  • রাজ্যের নাম পরিবর্তন করা।
  • কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলকে (Union Territory) রাজ্যে রূপান্তর করা।

অনুচ্ছেদ ২৩৯ (Article 239)

  • কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলি (Union Territories) রাষ্ট্রপতির অধীনে লেফটেন্যান্ট গভর্নরের (Lieutenant Governor) মাধ্যমে পরিচালিত হয়।

জম্মু ও কাশ্মীর পুনর্গঠন আইন, ২০১৯ (Jammu & Kashmir Reorganisation Act, 2019)

এই আইন নিম্নলিখিত বিষয়গুলির জন্য আইনি কাঠামো প্রদান করে—

  • দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল (Union Territories) গঠন।
  • ক্ষমতার বণ্টন (Distribution of Powers)

সুপ্রিম কোর্টের রায় (২০২৩)

Re: Article 370 (2023) মামলায় সুপ্রিম কোর্ট—

  • অনুচ্ছেদ ৩৭০ বাতিলের সাংবিধানিক বৈধতা বহাল রাখে।
  • রায় দেয় যে, অনুচ্ছেদ ৩৭০ একটি অস্থায়ী (Temporary) বিধান ছিল।
  • লাদাখকে বাদ দিয়ে জম্মু ও কাশ্মীরের রাজ্যের মর্যাদা (Statehood) যত দ্রুত সম্ভব পুনর্বহাল করার জন্য কেন্দ্র সরকারকে নির্দেশ দেয়।
  • বিধানসভা নির্বাচনের সময়মতো আয়োজনেরও নির্দেশ প্রদান করে।

জম্মু ও কাশ্মীরে সরকারের উদ্যোগ

১. প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়ন প্যাকেজ (Prime Minister’s Development Package – PMDP)

  • অবকাঠামো, সংযোগ ব্যবস্থা, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা এবং বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়নের মাধ্যমে সামাজিক-অর্থনৈতিক উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করার লক্ষ্য নিয়ে এই কর্মসূচি বাস্তবায়িত হচ্ছে।

২. শিল্প উন্নয়ন ও বিনিয়োগ (Industrial Development and Investment)

  • শিল্প উন্নয়ন প্রকল্প, ২০২১ (Industrial Development Scheme, 2021)-এর মাধ্যমে বেসরকারি বিনিয়োগ আকর্ষণ, শিল্পের বিকাশ এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য বিভিন্ন প্রণোদনা প্রদান করা হচ্ছে।

৩. ডিজিটাল ও মৌলিক অবকাঠামো (Digital and Basic Infrastructure)

  • ভারতনেট (BharatNet) সম্প্রসারণ এবং জল জীবন মিশন (Jal Jeevan Mission) বাস্তবায়নের মাধ্যমে ডিজিটাল সংযোগ বৃদ্ধি এবং নিরাপদ পানীয় জল সরবরাহ নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

৪. তৃণমূল স্তরের শাসনব্যবস্থা (Grassroots Governance)

  • পঞ্চায়েতি রাজ প্রতিষ্ঠান (Panchayati Raj Institutions)-কে শক্তিশালী করে বিকেন্দ্রীকরণ (Decentralisation) এবং স্থানীয় জনগণের শাসনব্যবস্থায় অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করা হয়েছে।

৫. পর্যটন ও সীমান্ত অঞ্চলের উন্নয়ন (Tourism and Border Area Development)

  • স্বদেশ দর্শন প্রকল্প (Swadesh Darshan Scheme), সীমান্ত অঞ্চল উন্নয়ন কর্মসূচি (Border Area Development Programme – BADP) এবং স্মার্ট সিটি মিশন (শ্রীনগর)-এর মাধ্যমে পর্যটনের বিকাশ, নগর অবকাঠামোর আধুনিকীকরণ এবং সুষম আঞ্চলিক উন্নয়ন নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা নেওয়া হয়েছে।

অগ্রগতির পথ

৬. নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে রাজ্যের মর্যাদা পুনর্বহাল (Time-bound Restoration of Statehood)

  • সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ বাস্তবায়নের জন্য জম্মু ও কাশ্মীরের পূর্ণ রাজ্যের মর্যাদা পুনর্বহালের একটি সুস্পষ্ট সময়সূচি (Roadmap) ঘোষণা করা উচিত।

৭. নিরাপত্তা ও গণতান্ত্রিক শাসনের মধ্যে ভারসাম্য (Balance Security with Democratic Governance)

  • জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি ধাপে ধাপে নির্বাচিত সরকারের হাতে আরও ক্ষমতা হস্তান্তর করে একটি সুষম ও পর্যায়ক্রমিক (Calibrated) পদ্ধতি অনুসরণ করা উচিত।

৮. সহযোগিতামূলক যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা শক্তিশালী করা (Strengthen Cooperative Federalism)

  • কেন্দ্র সরকার ও জম্মু ও কাশ্মীর সরকারের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থার (Institutional Mechanisms) মাধ্যমে নিয়মিত পরামর্শ ও আন্তঃরাজ্য পরিষদের (Inter-State Council) কাঠামো ব্যবহার করে সহযোগিতা বাড়াতে হবে।

৯. তৃণমূল গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করা (Deepen Grassroots Democracy)

  • পঞ্চায়েতি রাজ প্রতিষ্ঠান এবং নগর স্থানীয় সংস্থা (Urban Local Bodies)-কে আরও বেশি আর্থিক ও কার্যকরী স্বায়ত্তশাসন (Financial and Functional Autonomy) প্রদান করতে হবে।

১০. অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নকে উৎসাহিত করা (Promote Inclusive Development)

  • কর্মসংস্থান সৃষ্টি, পর্যটন, উদ্যানপালন (Horticulture), হস্তশিল্প (Handicrafts), ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্প (MSMEs), শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং ডিজিটাল অবকাঠামো-এর উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দিয়ে সামাজিক-অর্থনৈতিক সমস্যাগুলির সমাধান করতে হবে।

উপসংহার

জম্মু ও কাশ্মীরের রাজ্যের মর্যাদা পুনর্বহাল কেবল একটি প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নয়; এটি যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা (Federalism), গণতন্ত্র (Democracy) এবং জবাবদিহিমূলক শাসনব্যবস্থার (Accountable Governance) প্রতি একটি সাংবিধানিক অঙ্গীকার। দৃঢ় নিরাপত্তা ব্যবস্থা, সময়মতো রাজ্যের মর্যাদা পুনর্বহাল, অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন এবং সহযোগিতামূলক যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা—এই চারটি বিষয়ের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রেখে এগোতে পারলে জাতীয় ঐক্য ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ আরও সুদৃঢ় হবে।

Latest Articles

×

FREE IAS GUIDANCE PROGRAMME

Enroll Now