UPSC প্রিলিমসের জন্য গুরুত্বপূর্ণ: শিল্প ও সংস্কৃতি
জ্ঞান ভারতম মিশন সম্পর্কে
- সূচনা: কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৫–২৬-এ ঘোষিত।
- নোডাল মন্ত্রণালয়: সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় (MoC)।
- প্রকল্পের ধরন: কেন্দ্রীয় ক্ষেত্রীয় প্রকল্প (Central Sector Scheme)।
- আর্থিক বরাদ্দ: ₹৪৯১.৬৬ কোটি টাকা (২০২৫–২০৩১ মেয়াদের জন্য)।
- আওতা: দেশের সকল রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলজুড়ে (প্যান-ইন্ডিয়া)।
- প্রেক্ষাপট: ২০০৩ সালে সূচিত ‘জাতীয় পাণ্ডুলিপি মিশন’ (NMM)-এর ওপর ভিত্তি করে এটি নতুনভাবে সম্প্রসারিত ও রূপায়িত করা হয়েছে।
জ্ঞান ভারতম মিশনের উদ্দেশ্যসমূহ
- পাণ্ডুলিপিগুলোর বৃহৎ আকারে ডিজিটাইজেশন এবং নথিবদ্ধকরণের জন্য উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করা।
- একটি জাতীয় পাণ্ডুলিপি জরিপ (National Manuscript Survey) পরিচালনা করা এবং পাণ্ডুলিপি সংগ্রহগুলোকে নিবন্ধিত করা।
- পাণ্ডুলিপির নথিবদ্ধকরণ ও ক্যাটালগ তৈরি করা এবং সেগুলোর সংরক্ষণ অবস্থার সাম্প্রতিক রেকর্ড বজায় রাখা।
- মুদ্রিত প্রকাশনা এবং মেশিন-রিডেবল ডিজিটাল বিন্যাসের মাধ্যমে পাণ্ডুলিপিতে ব্যবহারের সুযোগ উৎসাহিত করা।
- প্রশিক্ষণ, সচেতনতা তৈরি এবং আর্থিক সহায়তার মাধ্যমে পাণ্ডুলিপি সংরক্ষণ ও সুরক্ষায় সহায়তা করা।
- ভারতীয় ভাষায় গবেষণা এবং পাণ্ডুলিপিশাস্ত্রকে (Manuscriptology) উৎসাহিত করা।
- ভারতীয় পাণ্ডুলিপির একটি জাতীয় ডিজিটাল রিপোজিটরি (NDR) প্রতিষ্ঠা করা।
জাতীয় ডিজিটাল রিপোজিটরি (NDR)
- ন্যাশনাল ডিজিটাল রিপোজিটরি (NDR) হলো এই মিশনের অধীনে গড়ে তোলা একটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম, যার উদ্দেশ্য ভারতীয় পাণ্ডুলিপিগুলোকে সুরক্ষিত রাখা এবং ব্যবহারের সুযোগ করে দেওয়া।
- পাণ্ডুলিপির মালিক/সংরক্ষক এবং অধিকার ধারণকারীদের অধিকার অক্ষুণ্ণ রেখে ডিজিটাইজড পাণ্ডুলিপিগুলোর ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া হয়।
জাতীয় পাণ্ডুলিপি জরিপ (National Manuscript Survey)
- সূচনা: মার্চ ২০২৬
- সকল রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলকে কভার করে।
- কোথায় কত পাণ্ডুলিপি সংরক্ষিত আছে, সেগুলোর ভাণ্ডার, সংরক্ষক, ব্যবহৃত ভাষা ও লিপি সনাক্তকরণ করে।
অগ্রগতি
- ১.১৯ কোটিরও বেশি পাণ্ডুলিপির তথ্য নথিবদ্ধ বা রিপোর্ট করা হয়েছে।
- ৮ লাখের বেশি পাণ্ডুলিপি ডিজিটাইজ করা হয়েছে।
- ৪.৪০ লাখের বেশি পাণ্ডুলিপি জ্ঞান ভারতম পোর্টালে জনসাধারণের দেখার জন্য উপলব্ধ রয়েছে।
উপসংহার
জ্ঞান ভারতম মিশন ভারতের বিশাল পাণ্ডুলিপি ঐতিহ্যকে সংরক্ষণ এবং ডিজিটাল মাধ্যমে সুরক্ষিত করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এটি শিক্ষা, গবেষণা এবং সাংস্কৃতিক সংরক্ষণের স্বার্থে এই পাণ্ডুলিপিগুলোর বহুল ব্যবহারের সুযোগ সুগম করে তুলেছে।